ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরানের ধারাবাহিক হামলা অব্যাহত রয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, সরাসরি সম্প্রচার চলাকালে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সর্বশেষ এই হামলার লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ ইসরায়েল, তবে গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে বারবার আশ্রয়কেন্দ্র ও সুরক্ষিত স্থানে ছুটতে হচ্ছে, যা আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিশেষ করে হাইফা শহরটি নিয়ে উদ্বেগ বেশি। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত বন্দরনগরী, যা ইতোমধ্যে একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে।
গতকাল রাতে হওয়া সর্বশেষ হামলায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটিতে বিভাজিত হয়ে বিস্ফোরণ ঘটানোর মতো ওয়ারহেড ছিল। তবে অজ্ঞাত কারণে সেটি বিস্ফোরিত হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়েনি। এটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি নাকি কাকতালীয় ঘটনা—তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কমলেও ধ্বংসযজ্ঞ ছিল ব্যাপক।
এই হামলায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও দুজন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের ধ্বংসস্তূপের নিচে গুরুতর অবস্থায় আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। হাইফা শহরে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক হামলাগুলো দেশের মধ্যাঞ্চলকেও লক্ষ্যবস্তু করছে, যার মধ্যে রয়েছে তেল আবিব। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই এসব এলাকা বারবার হামলার মুখে পড়ছে।
সমগ্র পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরান ও ইসরায়েল এর মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই আরও গভীর হচ্ছে, যা অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে।







