পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, ইউক্যালিপ্টাস গাছ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এই গাছ প্রচুর পানি শোষণ করে। তাই ইউক্যালিপ্টাস গাছ আর লাগাবেন না। এখন থেকে ফলদ, ঔষধি ও কাঠের গাছ লাগাবেন। এ সময় তিনি ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলার আহ্বান জানান।
সোমবার পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের গেদিপাড়া এলাকায় ছেতনাই নদী খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা ছেতনাই নদী বা খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছি। একসময় এই খালজুড়ে পানি ও মাছ ছিল। আমাদের অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষের চাষাবাদসহ নানা চাহিদা পূরণ করত ছেতনাই খাল। বর্তমানে এটি মৃত খালে রূপান্তরিত হয়েছে। সময়ের বিবর্তনে সেই খাল আর খাল নেই, নদী আর নদী নেই।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, জলাশয় ও খাল খনন, পুনঃখনন এবং পুনরুদ্ধার করা হবে। এসব জলাশয় পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ করে বাংলাদেশকে আবারও সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা দেশে পরিণত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সবুজায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি শুধু কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তার নেতৃত্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ছাড়াও কৃষি, এলজিইডি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর আওতায় নিয়মিত খাল, নদী ও জলাশয় পুনঃখনন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনাও রয়েছে। খালের পাশে মাছ চাষ ও হাঁস পালনের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এই নদী খনন কাজে প্রায় এক হাজার শ্রমিক সম্পৃক্ত হবে, যা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাল খননের কাজে ৬০ শতাংশ শ্রমিক, কৃষক ও শিক্ষার্থীকে যুক্ত করা হবে। এতে একদিকে যেমন মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়বে, অন্যদিকে কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।







