শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শনি-সোম-বুধবার অফলাইনে বা সশরীরে ক্লাস চলবে। আর বাকি দিনগুলো চলবে অনলাইন।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর দনিয়া কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে এক অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।
]]>আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালুর বিষয়ে এই সপ্তাহের মধ্যেই সিদ্ধান্ত হবে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক হবে। এরপর বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, সাধারণত মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠক হয় বৃহস্পতিবার। সে হিসেবে পরবর্তী মন্ত্রিসভা বৈঠক আগামী ৯ এপ্রিল।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরবর্তী মন্ত্রিসভা-বৈঠকে প্রস্তাব উপস্থাপন করবে। যা গত শুক্রবার তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছিল।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা নির্দেশনা দেবে। কারণ, এ বিষয়ে কিছু ক্ষেত্রে আলোচনার দরকার আছে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, তা বিবেচনায় রাখা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা ছিল, আপাতত সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস নেওয়া। যার মধ্যে জোড়-বিজোড় মিলিয়ে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীর পাঠদানের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে, অর্থাৎ এক দিন অনলাইনে ক্লাস হলে পরদিন সশরীর ক্লাস নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। অনলাইনে ক্লাস হলেও শিক্ষকেরা সশরীরে উপস্থিত থেকে পাঠদান করবেন। ব্যবহারিক ক্লাস হবে সশরীর।
তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কার্যকরভাবে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া বেশ কঠিন হবে বলে মনে করছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র বলেছে, তারাও মনে করে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে নিয়ে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া কঠিন। এ জন্য খোলা রেখে কীভাবে সমস্যাটি সমাধান করা যায়, সেই চিন্তা তাদেরও আছে। তবে সিদ্ধান্তটি আসবে মন্ত্রিপরিষদ থেকে।
পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতরসহ বিভিন্ন উপলক্ষে প্রায় ৪০ দিনের ছুটির পর গত ২৯ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকটে পড়েছে অনেক দেশ, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন পাঠদান চালুর বিষয়টি সামনে এসেছে।
]]>আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ পরীক্ষাকে ঘিরে এরই মধ্যে সারাদেশের কেন্দ্রগুলোতে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। শিক্ষা-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার শুধু নিয়ম জারি নয়, বাস্তবায়নেই থাকবে সর্বোচ্চ কঠোরতা।
প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিতে পরীক্ষা কেন্দ্র : মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র ও কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও সংরক্ষণ করে প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক বিএম আব্দুল হান্নান বলেন, ‘আমরা চাই পরীক্ষা পুরোপুরি স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য হোক। কোনো ধরনের অনিয়ম বা নকলের সুযোগ রাখা হবে না। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিটি কক্ষে দেয়ালঘড়ি, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আসনবিন্যাসে শৃঙ্খলা, প্রবেশে কঠোরতা : পরীক্ষার্থীদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখতে বেঞ্চভিত্তিক আসনবিন্যাস নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫-৬ ফুট বেঞ্চে দুজন এবং ৪ ফুট বেঞ্চে একজন বসবে। প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষ পরিদর্শক এবং প্রতিটি কক্ষে ন্যূনতম দুজন দায়িত্ব পালন করবেন।
পরীক্ষা শুরু হবে প্রতিদিন সকাল ১০টায়। পরীক্ষার্থীদের অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে এলে বিশেষ বিবেচনায় রেজিস্টারে তথ্য সংরক্ষণ করে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে।
প্রশ্নপত্র নিরাপত্তায় বহুস্তরীয় ব্যবস্থা : প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনায় আনা হয়েছে কঠোর নিয়ন্ত্রণ। সৃজনশীল (সিকিউ) ও বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) প্রশ্নপত্র আলাদা সিকিউরিটি খামে প্যাকেট করা হবে এবং নির্ধারিত সেট কোড নিশ্চিত করে তবেই তা খোলা যাবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এসএম কামাল উদ্দিন হায়দার আমাদের সময়কে বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস বা গড়মিল ঠেকাতে এবার প্রতিটি ধাপে জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নকল প্রতিরোধে কঠোর বার্তা : পরীক্ষাকেন্দ্রে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কারও মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশি করে কেন্দ্রে প্রবেশ করানো হবে, বিশেষ করে ছাত্রীদের ক্ষেত্রে নারী শিক্ষকের মাধ্যমে এ তল্লাশি সম্পন্ন করতে হবে।
এ ছাড়া কেন্দ্রের প্রবেশপথে সতর্কতামূলক পোস্টার টাঙানো, কেন্দ্রের বাইরে ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং পরীক্ষা শুরু হওয়ার পরপরই টয়লেট তল্লাশির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় সরকারের জিরো টলারেন্স প্রসঙ্গে শিক্ষাবিদ ড. সায়েদা নাসরিন বলেন, নকল প্রতিরোধ শুধু নিয়ম দিয়ে সম্ভব নয়, সচেতনতা ও কঠোর প্রয়োগ দুইই দরকার। পদক্ষেপগুলো ইতিবাচক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-প্রধানদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ১০ দিন আগে প্রবেশপত্র বিতরণ, ত্রুটি সংশোধন এবং পরীক্ষার সামগ্রী সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রসচিব ও প্রতিষ্ঠান-প্রধানদের ওপর।
রাজধানীর একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, কেন্দ্র পরিচালনায় এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হচ্ছে। প্রতিটি ধাপেই জবাবদিহি বাড়ানো হয়েছে, যা পরীক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।
সিলেবাস ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা : বোর্ড জানিয়েছে, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী এবং নিয়মিত পরীক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশ নেবে। পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ কেন্দ্রে অবস্থান করতে পারবেন না। প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পরিবহনে পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। পরীক্ষাকালীন বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস বন্ধ থাকবে, তবে যেসব দিনে পরীক্ষা নেই সেসব দিনে শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রম চালু রাখা যাবে।
সব মিলিয়ে, এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে শিক্ষা বোর্ড ও মাউশির এ সমন্বিত উদ্যোগকে পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার একটি শক্ত বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো শুধু পরীক্ষার স্থান নয় বরং শৃঙ্খলা, প্রযুক্তি ও কঠোর নজরদারির এক সমন্বিত কাঠামোয় রূপ নিচ্ছে।
]]>মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিনগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। কোন ঘটনায় ছাত্রদল ও শিবিরের সংঘর্ষের সূত্রপাত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।কয়েকজন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়। এ
আহতদের কয়েকজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
শেষখবর পাওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। থেমে থেমে দুই পক্ষই পরস্পরের উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাস ছাড়া করার শ্লোগান দিচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
]]>প্রসুতি ধর সবার আশির্বাদ ও দোয়া কামনা করছে যেন ভবিষ্যতে এই সাফল্য অব্যাহত রাখতে পারে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর পর অনুষ্ঠিত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে বুধবার। এতে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে দুই ক্যাটাগারিতে ৪৬ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাচ্ছে। এর মধ্যে মেধা বৃত্তি পেয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তি পেয়েছে ৩১ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী।
]]>এরপর ৪ ফেব্রুয়ারি ফের পবিত্র শবেবরাতের ছুটি রয়েছে। এ ছাড়াও চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে টানা কয়েক দিন ছুটি রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামীকাল মঙ্গলবার রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে আগামী বুধবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এরপরের দিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। এ অবস্থায় সরকারি চাকরিজীবীরা কেবল এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি কাটানো যাবে। কেননা এর পরের দুদিন যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। সুতরাং মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন।
এদিকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সে উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর পরের দুদিন ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। অর্থাৎ এখানে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মিলছে টানা চার দিনের ছুটি। এ ছাড়া নির্বাচন উপলক্ষে ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে। তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ৬৪ দিন ছুটির মধ্যে ৮ মার্চ থেকে রমজান ধরে ঈদুল ফিতর, জুমাতুল বিদা, স্বাধীনতা দিবসসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে টানা ১৯ দিন স্কুল বন্ধ থাকবে। দীর্ঘ ছুটির পর ২৯ মার্চ ফের ক্লাস শুরু হবে। ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি থাকবে টানা ১২ দিন। এ ছুটি ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। এই ছুটি গত বছর ছিল ১৫ দিন।
দুর্গাপূজায় এবার ৫ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর বাইরে লক্ষ্মীপূজা, প্রবারণা পূর্ণিমায় একদিন, ফাতেহা-ই-ইয়াজ দহমে একদিন ছুটি আছে। এ ছাড়া এবারও প্রতিষ্ঠানের প্রধানের হাতে সংরক্ষিত দুদিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর বাইরে বিভিন্ন জাতীয়, আন্তর্জাতিক দিবস ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে নিয়ম মেনে ছুটি থাকবে। অন্যদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র ও শনিবারে পড়েছে।
এ ছাড়া ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটি নির্ধারিত হয়েছে। সেই অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন ছুটি রয়েছে।
]]>গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বিলম্ব ফিসহ ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত এ সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এদিকে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বৃহস্পতিবার বিকেলে বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে এ সূচি প্রকাশ করা হয়।
সূচি অনুযায়ী, এ বছর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল। প্রথমদিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২০ মে। ৭ জুন থেকে শুরু হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা, যা চলবে ১৪ জুন পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১০ এপ্রিল। সেই হিসাবে এবার পরীক্ষা ১১ দিন পিছিয়ে শুরু করা হবে। পাশাপাশি মাঝে ছুটি পড়ায় ব্যবহারিক পরীক্ষা দেরিতে হবে।
]]>আজ বুধবার বিকেলে বাঙলা কলেজ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। শিক্ষার্থীরা বলেন, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) থেকে লাগাতার কর্মসূচি চলবে।
রাজধানীর গাবতলী টেকনিক্যাল মোড়ে সমন্বিত এ সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহ। তিনি নি বলেন, ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির এক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড়ে একযোগে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলবে। আজকের কর্মসূচি শেষ হলেও আন্দোলনের মূল দাবি থেকে শিক্ষার্থীরা একচুলও সরে আসবে না।
এর আগে, রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, তাঁতীবাজার মোড় ও টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। ফলে গাবতলী থেকে কারওয়ানবাজার পর্যন্ত ঢাকামুখী লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
]]>এর আগে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ভোট গণনা সম্পন্ন হয় বলে নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ২১টি আবাসিক হলে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে হলের কেন্দ্রগুলো থেকে ব্যালট বাক্স সিনেট ভবনে আনা হয় এবং রাত ১০টার কিছু পর শুরু হয় ভোট গণনা। তবে ম্যানুয়ালি ভোট গণনা করায় ফল প্রকাশে এত সময় নিল নির্বাচন কমিশন।
জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ভোটার ৬ হাজার ১৫ জন এবং ছাত্রী ভোটার ৫ হাজার ৭২৮ জন। ভোট পড়েছে ৮ হাজার ৩টি। এটি মোট ভোটের প্রায় ৬৮ শতাংশ।
জাকসুর ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৭৭ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৮ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে ১০ জন লড়ছেন। এ ছাড়া হল সংসদের লড়ছেন ৪৪৫ প্রার্থী।
ছাত্রদের হল ও ভোটার সংখ্যা– আল বেরুনী হল: ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হল: ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হল: ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হল: ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হল: ৫১৪ জন, ১০ নম্বর ছাত্র হল: ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হল: ৬৫০ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল: ৩৫০ জন, ২১ নম্বর ছাত্র হল: ৭৩৫ জন, জাতীয় কবি নজরুল হল: ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হল: ৯৪৭ জন।
ছাত্রীদের হল ও ভোটার সংখ্যা– নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল: ২৭৯ জন, জাহানারা ইমাম হল: ৩৬৭ জন, প্রীতিলতা হল: ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়া হল: ৪০৩ জন, সুফিয়া কামাল হল: ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর ছাত্রী হল: ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর ছাত্রী হল: ৫৭১ জন, রোকেয়া হল: ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেছা হল: ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি হল: ৯৮৩ জন।
জাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে এবার ১৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে- সহ সভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৮ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া মোট প্যানেল ছিল ৮টি। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে-বামপন্থী, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রদের সমর্থিত। ছাত্রদের ১১টি ও ছাত্রীদের ১০টি হলে ভোটগ্রহণ হয়, সব মিলিয়ে ২১টি ভোট কেন্দ্র এবং ২২৪টি বুথ স্থাপন করা হয়েছিল।
তবে বহুল প্রতীক্ষিত এ নির্বাচন বয়কট করেছেন ছাত্রদলসহ চারটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র পাঁচ প্রার্থী। এ ছাড়া নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে একজন নির্বাচন কমিশনারসহ বিএনপিপন্থী চার শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন।
]]>আজ শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এ কথা বলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমাদের গতকাল একজন সম্মানিত ম্যাডাম মারা গেছেন। আজকে বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়েছেন। এ জন্য আমরা আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি, আমাদের মেডিকেল সেন্টার থেকে ডাক্তারের ব্যবস্থা করেছি। যারা অসুস্থ বোধ করেছেন খানিকটা বা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা এখন ভালো আছেন।’
অধ্যাপক মনিরুজ্জামান বলেন, ‘তাদেরকে (যারা অুসস্থ বোধ করছেন) বিশ্রামে রেখে আমরা অন্য শিক্ষক এবং কর্মকর্তাদেরকে কাজে নিয়োগ করেছি। তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আশা করি আমরা সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই ফালাফল তৈরি করে ঘোষণা করতে পারব।’
এর আগে গতকাল শুক্রবার সকালে ভোট গণনার কাজে অংশ নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের সময় ছিল। কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করায় ভোটগ্রহণ কিছুটা পিছিয়ে যায়। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা। তবে তিন দিনেও ভোট গণনা শেষ করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাদের।
]]>