গতকাল রবিবার রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে ‘১১ দলীয় ঐক্য’ আয়োজিত জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, রাজপথই ১১ দলের মূল ঠিকানা। রাজপথেই দাবি আদায় করা হবে। তিনি বলেন, জুলাই শহীদরা কোনো দলের সম্পদ নয়, তারা সমগ্র জাতির সম্পদ।
]]>রোববার (১২ এপ্রিল) বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে তা জমা দেন মেঘনা আলম।
জাতীয় নির্বাচনে গণ অধিকার পরিষদ থেকে অংশ নেওয়ার পর এবার সংরক্ষিত আসনে বিএনপি এমপি হতে চাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি যেভাবে দেশ পরিচালনা করছেন তাতে আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি। রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম এড়াতে তিনি প্রটোকল নিচ্ছেন না, ছুটির দিনেও অফিস করছেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করছেন। এতে আমার মনে হয়েছে সত্যিই তিনি দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান, মানুষের সেবা করতে চান। যেহেতু আমি জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত, তাই মনে করছি বিএনপির প্লাটফর্ম থেকে আমার জন্য জনকল্যাণমুলক কাজ করা সহজ হবে।
মেঘনা আলম সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে বেশ আশাবাদী
]]>দলটির ভাষ্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বারবার ‘মব কালচার’ শেষ করার ঘোষণা দিলেও ‘প্রকৃত মব’ থামাতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
গতকাল শনিবার রাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে একদল উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি দৌলতপুরে একটি দরবারে হামলা চালায়, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে দরবারের প্রধান পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর নিহত হন। এই ঘটনাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানায় এনসিপি।
দলটি মনে করে, ধর্মীয় সংবেদনশীল কোনো অভিযোগের বিচার করার দায়িত্ব আদালতের, কোনোভাবেই জনতার হাতে আইন তুলে নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। ‘মব সহিংসতা’র মাধ্যমে যারা হত্যাকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছে, তারা ফৌজদারি অপরাধ করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের সহিংসতা স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের নীরব সমর্থন ছাড়া সম্ভব নয়। অতীতে রাজবাড়ীতে মাজার ভাঙচুর ও মরদেহ পোড়ানোর ঘটনাতেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ার অভিযোগ ছিল বলে উল্লেখ করে দলটি।
এনসিপি বলেছে, সরকারের তরফ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বারবার ‘মব কালচার’ শেষ করার ঘোষণা দিলেও ‘প্রকৃত মব’ থামাতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকার। জাতীয় নির্বাচনের পরপরই বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) সরকার-সমর্থিত পক্ষ ‘মব’ করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত দুজন ব্যক্তিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে।
দলটির দাবি, একদিকে সরকার ‘মব কালচার’ বন্ধের কথা বলছে, অন্যদিকে রাজনৈতিকভাবে তা ব্যবহারও করা হচ্ছে। এতে ভিন্নমত দমনের প্রবণতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকার একের পর এক নিজ নির্বাচনী ইশতেহার ভঙ্গ করেই যাচ্ছে। অপরদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সরকারের সব বিষয়ে মুখপাত্রের ভূমিকা পালন না করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকরণে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
]]>জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে বিএনপি।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়।
এ সময় রিজভী বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এসেছেন। যারা গত ১৬-১৭ বছর নিপীড়ন ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন তাদের প্রত্যাশা থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলের পার্লামেন্টারি বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। বিগত আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সংসদে কথা বলার যোগ্যতাসহ অন্যান্য যোগ্যতাও বিবেচনায় রাখা হবে।’
কেন্দ্রীয়ভাবে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দলীয় শৃঙ্খলা মানার অনুরোধ জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘সংসদের প্রাণবন্ত আলোচনা চালু রাখতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের আসল শক্তি।’
জানা গেছে, ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ২ হাজার টাকা। আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার সময় জমানত দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা।
আগামী ১২ মে ভোটের দিন রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে এ তফসিল ঘোষণা করেন ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।
জাতীয় সংসদের ৩৫০ আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৫০টি। এর মধ্যে বিএনপির জন্য ৩৬টি এবং জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১টি আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ায় ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত “জনরায় উপেক্ষা নয়-গণভোট বাস্তবায়নে সরকারের দায়বদ্ধতা” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী ছাত্রশিবির বগুড়া শহর শাখার সভাপতি হাবিবুল্লাহ খন্দকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জোবাইদুর রহমান বাবু, অ্যাডভোকেট সাকিল আহম্মেদ, বগুড়া বারের আইনজীবী আল-আমিন প্রমুখ।
শিশির মনির বলেন, ‘দীর্ঘ ৫৬ বছর সঠিক নেতৃত্বের অভাবে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি। এই সময়ে যে যার মত করে সংবিধান কাটা-ছেঁড়া করায় বারবার মানুষকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। অবশেষে চব্বিশের ৫ আগষ্ট তরুণরা বুকের রক্ত দিয়ে নতুন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন জন্ম দিয়েছে। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে গঠিত সরকার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সঠিক পথে এগুতে পারছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার আস্থার সঙ্গে কোনো কাজই করতে পারছে না। মনে হচ্ছে সরকার কোনো এক অদৃশ্য শক্তির অচলাতয়নে বাঁধা রয়েছে।’
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জাতির সামনে অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে সেইসব প্রতিশ্রুত পূরণ করতে পারছেন না। জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে না পারলে বর্তমান সরকারের জন্য অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের পরিণতি অপেক্ষা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সতর্ক করছি। যদি বাস্তবতা বুঝতে না চান তাহলে কিছুই করার নাই। আমরা সংসদের ভেতরে এবং বাইরে প্রতিটি ভালো কাজে সরকারকে সহযোগিতা করতে চাই। কিন্তু যদি গণভোট না মানেন, যদি জনগণের রায়কে শ্রদ্ধা না করেন তাহলে সংসদে এবং সংসদের বাইরে সবখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। রাজধানীর বায়তুল মুকাররমের উত্তর গেইটে যেই বিক্ষোভের সূচনা হয়েছে তারা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে।’
সরকারের নীতি নির্ধারকদের উদ্দেশ্যে শিশির মনির বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশকে সরকারের লোকেরা অশ্বডিম্ব বলে উপহাস করছেন। এটা যদি অশ্বডিম্ব হয় তাহলে এই অশ্বডিম্ব দিয়ে গণভোট করলেন কেন? জনগণকে হ্যাতে ভোট দিতে বললেন কেন? যারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অশ্বডিম্ব বলছেন তারা আসলে কাণ্ডজ্ঞানহীন।’
তিনি বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে মার্শাল ল জারি করে সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করেছেন। তিনি বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস সংবিধানে সংযোজন করেছেন। তিনিই প্রথম গণভোট দিয়েছিলেন। সেই গণবেভাটে কমপক্ষে ১৯টি দফা একত্রিত করে জিয়াউর রহমসানের নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি সমর্থনের জন্য পক্ষে জনগনকে হ্যাঁ না ভোট দিতে বলেছিলেন। সেদিন ১৯টি বিষয়কে একটি মাত্র প্রশ্নের মাধ্যমে গণভোট হয়ে থাকে তাহলে এবার ৪টি প্রশ্নে হ্যা না ভোটে সমস্যা কোথায়?’
বিএনপির প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে শিশির মনির বলেন, ‘বিএনপিকে যেই ৫১ শতাংশ জনগণ ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছে তারা কি ৩১ দফা পড়ে, বুঝে ধানের শীষে ভোট দিয়েছিলেন? যদি ভোটাররা ৩১ দফা বুঝেধানের শীষে ভোট দিয়ে তাকে তাহলে ৭০ শতাংশ মানুষও গণভোটের ৪টি প্রশ্ন বুঝেই হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন। এছাড়া যারা বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন তারা হ্যাঁ-এর পক্ষেও ভোট দিয়েছেন। তাহলে বিএনপি কী নিজের লোকদেরকেও বিশ্বাস করতে চায় না?’
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রশ্নের সমাধান না করলে, আপনি যতই ভালো কাজ করুন কোনো কাজে আসবে না। আপনার প্রতিটি ভালো কাজের আমরা প্রশংসা করব, কিন্তু গণভোটের রায়কে সম্মান না জানালে আপনাকে অভিনন্দন জানাতে পারব না।’
]]>রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ায় ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত “জনরায় উপেক্ষা নয়-গণভোট বাস্তবায়নে সরকারের দায়বদ্ধতা” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী ছাত্রশিবির বগুড়া শহর শাখার সভাপতি হাবিবুল্লাহ খন্দকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জোবাইদুর রহমান বাবু, অ্যাডভোকেট সাকিল আহম্মেদ, বগুড়া বারের আইনজীবী আল-আমিন প্রমুখ।
শিশির মনির বলেন, ‘দীর্ঘ ৫৬ বছর সঠিক নেতৃত্বের অভাবে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি। এই সময়ে যে যার মত করে সংবিধান কাটা-ছেঁড়া করায় বারবার মানুষকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। অবশেষে চব্বিশের ৫ আগষ্ট তরুণরা বুকের রক্ত দিয়ে নতুন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন জন্ম দিয়েছে। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে গঠিত সরকার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সঠিক পথে এগুতে পারছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার আস্থার সঙ্গে কোনো কাজই করতে পারছে না। মনে হচ্ছে সরকার কোনো এক অদৃশ্য শক্তির অচলাতয়নে বাঁধা রয়েছে।’
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জাতির সামনে অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে সেইসব প্রতিশ্রুত পূরণ করতে পারছেন না। জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে না পারলে বর্তমান সরকারের জন্য অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের পরিণতি অপেক্ষা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সতর্ক করছি। যদি বাস্তবতা বুঝতে না চান তাহলে কিছুই করার নাই। আমরা সংসদের ভেতরে এবং বাইরে প্রতিটি ভালো কাজে সরকারকে সহযোগিতা করতে চাই। কিন্তু যদি গণভোট না মানেন, যদি জনগণের রায়কে শ্রদ্ধা না করেন তাহলে সংসদে এবং সংসদের বাইরে সবখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। রাজধানীর বায়তুল মুকাররমের উত্তর গেইটে যেই বিক্ষোভের সূচনা হয়েছে তারা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে।’
সরকারের নীতি নির্ধারকদের উদ্দেশ্যে শিশির মনির বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশকে সরকারের লোকেরা অশ্বডিম্ব বলে উপহাস করছেন। এটা যদি অশ্বডিম্ব হয় তাহলে এই অশ্বডিম্ব দিয়ে গণভোট করলেন কেন? জনগণকে হ্যাতে ভোট দিতে বললেন কেন? যারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অশ্বডিম্ব বলছেন তারা আসলে কাণ্ডজ্ঞানহীন।’
তিনি বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে মার্শাল ল জারি করে সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করেছেন। তিনি বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস সংবিধানে সংযোজন করেছেন। তিনিই প্রথম গণভোট দিয়েছিলেন। সেই গণবেভাটে কমপক্ষে ১৯টি দফা একত্রিত করে জিয়াউর রহমসানের নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি সমর্থনের জন্য পক্ষে জনগনকে হ্যাঁ না ভোট দিতে বলেছিলেন। সেদিন ১৯টি বিষয়কে একটি মাত্র প্রশ্নের মাধ্যমে গণভোট হয়ে থাকে তাহলে এবার ৪টি প্রশ্নে হ্যা না ভোটে সমস্যা কোথায়?’
বিএনপির প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে শিশির মনির বলেন, ‘বিএনপিকে যেই ৫১ শতাংশ জনগণ ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছে তারা কি ৩১ দফা পড়ে, বুঝে ধানের শীষে ভোট দিয়েছিলেন? যদি ভোটাররা ৩১ দফা বুঝেধানের শীষে ভোট দিয়ে তাকে তাহলে ৭০ শতাংশ মানুষও গণভোটের ৪টি প্রশ্ন বুঝেই হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন। এছাড়া যারা বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন তারা হ্যাঁ-এর পক্ষেও ভোট দিয়েছেন। তাহলে বিএনপি কী নিজের লোকদেরকেও বিশ্বাস করতে চায় না?’
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রশ্নের সমাধান না করলে, আপনি যতই ভালো কাজ করুন কোনো কাজে আসবে না। আপনার প্রতিটি ভালো কাজের আমরা প্রশংসা করব, কিন্তু গণভোটের রায়কে সম্মান না জানালে আপনাকে অভিনন্দন জানাতে পারব না।’
]]>শনিবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিনদুপুর একটার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগর ইউনিয়নের কদমতলী ডিপজল গলি সড়ক এলাকার কারখানাটিতে আগুন লাগে। দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর বেলা আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আর বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভাতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পাঁচজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া দগ্ধ পাঁচজনের মরদেহের মধ্যে তিনজনই নারী বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে শুধু একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনাটি তদন্তের জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের অপারেশনস ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
]]>জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘রাজনৈতিক দল ও সরকারকে আলাদা করার জন্য দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ছেড়েছি।’
জুলাই জাতীয় সনদ ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কীভাবে হবে সেটা নিয়ে বিতর্ক চলমান। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামত প্রাধান্য পাবে।’
জোনায়েদ সাকি পদ ছাড়ার পর দলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু। তিনি দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ছিলেন। বিশেষ সাংগঠনিক সম্মেলন হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ২৯ আগস্ট জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে যাত্রা শুরু করে গণসংহতি আন্দোলন। প্রতিষ্ঠার পর সংগঠনটি দীর্ঘ সময় সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় থাকার পর ২০১৬ সালের নভেম্বরে তৃতীয় জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
ওই সম্মেলনে জোনায়েদ সাকিকে প্রধান সমন্বয়কারী ও আব্দুস সালামকে নির্বাহী সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দীর্ঘ আইনি ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায় দলটি।
গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হন। সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ৫৫ সদস্যের নতুন নির্বাহী কমিটিও গঠন করা হয়।
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক হিসেবে দলটির প্রতীক ‘মাথাল’ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জোনায়েদ সাকি।
পরে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে তাকে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে শুধু পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রাখা হয় তাকে।
]]>সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরের ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মোঃ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকার পুরোনো পথে হাঁটতে শুরু করেছে। সংস্কারের বিপক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে।’
]]>আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে এই তৎপরতা কেবল উৎসবকেন্দ্রিক নয়; বরং স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ। ঈদকে উপলক্ষ করে তৈরি হওয়া সামাজিক যোগাযোগের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করা, সাংগঠনিক কাঠামো আরও সক্রিয় করা এবং সম্ভাব্য ভোটব্যাংক সুসংহত করার দিকে নজর দিচ্ছে দুই দলই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঈদভিত্তিক এই জনসম্পৃক্ততা তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেললেও এর প্রকৃত ফল নির্ভর করবে পরবর্তী সময়েও একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর।
বিরোধীদলীয় জোটের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথম ঈদে আনুষ্ঠানিকতা বা শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে নেতাকর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমপি, কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই
শুধু বলা হয়নি, বরং ঘরে ঘরে গিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়া, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং স্থানীয় সমস্যা সম্পর্কে সরাসরি খোঁজখবর নেওয়ার মাধ্যমে জনআস্থা অর্জনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের শৈথিল্য গ্রহণ করা হবে না বলে দলের একাধিক নেতা প্রতিবেদকের কাছে জানান।
জামায়াতের একাধিক সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন জামায়াতের এমপিরা নিজ নিজ এলাকায় কাটাবেন, তারা ঈদ উৎসবে যোগদানের পাশাপাশি সরকারি বরাদ্দ করা ১০ লাখ টাকা ছাড়াও নিজেদের থেকে দুস্থদের মধ্যে জাকাত ও ফিতরা বিতরণ করবেন। সামাজিক-রাজনৈতিক-ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ঈদ কার্ড, এসএমএস পাঠিয়ে এবং সোশ্যাল মিডিয়া ও ব্যানার-পোস্টারের মাধ্যমে স্থানীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীরা গণসংযোগ করার অলিখিত নির্দেশনা পেয়েছেন কেন্দ্র থেকে। স্থানীয় প্রার্থী যারা হবেন, তারা ইতোমধ্যে ঈদ বকশিশের নামে এলাকায় অসহায়দের মাঝে নগদ টাকা বিতরণ করছেন। নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের জন্য ঈদের দিন ভোজের আয়োজনও করেছেন অনেক স্থানীয় নেতা (প্রার্থী)।
এদিকে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আমাদের সময়কে বলেন, ঈদ শুধু আনন্দের উৎসব নয়, এটি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার একটি বড় সুযোগ। তিনি বলেন, দলের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সমাজের ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই যেন ঈদের আনন্দে শামিল হতে পারে, সেজন্য নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। একই সঙ্গে নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপির প্রতি মানুষের যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর অধিকতর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশবাসী এখন বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি খুঁজছে। এই বাস্তবতায় দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনমতকে সংগঠিত করে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ভিত্তিতে রূপান্তর করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তার মতে, ঈদকেন্দ্রিক এই জনসংযোগ কার্যক্রম ভবিষ্যতে দলের সাংগঠনিক বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ সময় তিনি নিজের দলের প্রধানের ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দ অর্থ বিতরণের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বার্তা দিয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, আমাদের দলে ছয়জন সংসদ সদস্যের প্রত্যেককে দেওয়া ১০ লাখ টাকার একটি টাকাও ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করা হবে না; পুরো অর্থই প্রকৃত উপকারভোগীদের মাঝে ঈদে বিতরণ করা হবে। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ঢাকা-১১ আসনে ইতোমধ্যে ৫০০ দরিদ্র ব্যক্তির তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
অন্যদিকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক আবদুল হালিম আমাদের সময়কে বলেন, জামায়াত একটি সুশৃঙ্খল ও নীতিনিষ্ঠ দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকলেও তা সুস্থ ও সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। দলীয় মনোনয়ন সব সময় ঐকমত্যের ভিত্তিতেই দেওয়া হয়। স্থানীয় নির্বাচনেও তার ব্যতিক্রম হবে না। আমাদের দলের এমপি ও স্থানীয় নেতাদের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, প্রত্যেকেই যেন ঈদে নিজেদের সাধ্যমতো সাধারণ মানুষের সহায়তা করেই ক্ষ্যান্ত না হয়ে ঘরে ঘরে গিয়ে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেয়। দলের জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে কাজ করতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, আমরা দল হিসেবে চাই, ঈদ যেন শুধু ব্যক্তিগত আনন্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং এটি হোক সামাজিক সংহতির একটি মাধ্যম। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দলের প্রতি মানুষের আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে, যা স্থানীয় নির্বাচনে ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে সহায়ক হবে।
এদিকে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক চাপে থাকা জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বেশ ভালো ফল অর্জন করেছে তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে। একে কাজে লাগাতে তৃণমূল পর্যায়ে নিজেদের সংগঠিত করতে এবারের ঈদে ব্যাপক জোর দিচ্ছে। ঈদের মতো সামাজিক উৎসবকে কেন্দ্র করে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর এই উদ্যোগ তাদের জন্য একটি পুনর্গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক সারোয়ার জাহান আমাদের সময়কে বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঈদ বরাবরই জনসংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষে। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পর এবারই প্রথম ঈদ। নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ, ভোটারদের মনোভাবের পরিবর্তন এবং স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে দলগুলো আরও পরিকল্পিতভাবে এই সময়কে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে। বিশেষ করে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন এনসিপির মতো নতুন দলের জন্য এটি একটি বড় পরীক্ষা, তারা কত দ্রুত তৃণমূল পর্যায়ে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তার মতে, শুধু ঈদকেন্দ্রিক তৎপরতা দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। তবে এটি একটি কার্যকর সূচনা হতে পারে। যদি দলগুলো পরবর্তী সময়ে একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখাসহ নিয়মিত জনসংযোগ, স্থানীয় সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে এবং সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করতে পারে তবেই রাজনৈতিক ভিত্তি মজবুত হবে।
]]>