জানা গেছে, আগামীকাল সোমবার বিকেল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
এর আগে, হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আশা ভোঁসলেকে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় আশা ভোঁসলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ফুসফুসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন। অবশেষে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তার মৃত্যুতে ভারত উপমহাদেশের শোবিজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে, শুরুতে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লেও, গায়িকার নাতনি জানিয়েছেন, বুকে সংক্রমণের কারণে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কিংবদন্তি গায়িকার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। গায়িকার ঘনিষ্ঠ সূত্রও নিশ্চিত করেছে, তিনি আগের চেয়ে ভালো আছেন এবং সুস্থ হয়ে উঠছেন।
গতকাল শনিবার রাতে আশা ভোঁসলের নাতনি জনাই ভোঁসলে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘আমার ঠাকুমা আশা ভোঁসলে অতিরিক্ত ক্লান্তি ও বুকে সংক্রমণের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আমরা সবার কাছে আমাদের গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানানোর অনুরোধ করছি। চিকিৎসা চলছে এবং আমরা আশা করছি সব ঠিক হয়ে যাবে। শিগগিরই আমরা ভালো খবর দেব।’
উল্লেখ্য, ১৯৩৩ সালে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের এক মারাঠি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আশা। তার বাবার নাম পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর। ভারতের আরেক কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর তার আপন বড় বোন।
১৯৪৩ সালে ক্যারিয়ার শুরু করেন আশা ভোঁসলে। দীর্ঘ আট দশকের ক্যারিয়ারে সংগীতপ্রেমীদের উপহার দিয়েছেন ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আব তো আজা’ থেকে শুরু করে মেলোডিয়াস গান ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’- এর মতো জনপ্রিয় সব গান।
ভারতীয় ভাষার পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি ভাষাতেও হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন আশা ভোঁসলে। শাস্ত্রীয়, লোকসংগীত, পপ থেকে গজল- বিভিন্ন ধারার সংগীতে তার অসাধারণ মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতীয় সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আশা ভোঁসলে অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ সিনেমার সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’-এ ভূষিত হয়েছেন এবং ‘পদ্মবিভূষণ’ও অর্জন করেছেন।
আশা ভোঁসলে একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন, যা তাকে ভারতীয় প্লেব্যাক সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ও সর্বাধিক সম্মানিত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
]]>জানা গেছে, আগামীকাল তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তার মৃত্যুতে ভারত উপমহাদেশের শোবিজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সংগীতের ভুবনে অমর এক নাম আশা ভোঁসলে। তার ব্যক্তিজীবন ছিল নানা বেদনা-বিষাদ ও ভাঙনের কষ্টে জর্জরিত। সেসব ডিঙিয়েই তিনি পাড়ি দিয়েছেন দীর্ঘ ৯২ বছরের জীবন। গানে গানে পেয়েছে আকাশ ছোঁয়া সাফল্য।
তার জীবনের শুরুটা ছিল নানা টানাপড়েন আর পারিবারিক দ্বন্দ্বে ভরা। মাত্র ১৬ বছর বয়সে গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করেন আশা ভোঁসলে। বয়সের বড় এবং পারিবারিক অমত এই সম্পর্ককে ঘিরে জটিলতা তৈরি করে।
এক সাক্ষাৎকারে আশা ভোঁসলে জানান, তারা প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন। তবে পরিবার এই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি। বিশেষ করে তার দিদি লতা মঙ্গেশকর এই সম্পর্কের বিরোধিতা করেছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শ্বশুরবাড়িতে একজন গায়িকাকে পুত্রবধূ হিসেবে মেনে না নেওয়ার বিষয়টিও তার জীবনে বড় চাপ তৈরি করে। ভালোবেসে বিয়ে করা স্বামীর সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল টানাপড়েন ও মানসিক চাপপূর্ণ।
গায়িকার অভিযোগ অনুযায়ী, দাম্পত্য জীবনে তিনি দীর্ঘদিন মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন এবং অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও তাকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। পরে তিনি ফিরে আসেন নিজের পরিবারের কাছে। এই কঠিন সময় পার করে তিনি নিজের ক্যারিয়ার এবং জীবনকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন। এই সংসারে তিনি হেমন্ত, বর্ষা এবং আনন্দ ভোঁসলে নামের তিন সন্তানের জননী ছিলেন।
এরপর তিনি সংগীতঙ্গ আর ডি বর্মণকে বিয়ে করেন ১৯৮০ সালে। সেই সম্পর্ক আর ডি বর্মণের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত টিকেছিল। দুর্ভাগ্য হলো দু’বার বিধবা হয়েছিলেন আশা ভোঁসলে।
তবে এটাকে সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য মনে করতেন না তিনি। প্রকৃতির নিয়মে সবাইকেই একদিন চলে যেতে হয়, সেই কথা ভেবে গনপত রাও ভোঁসলে এবং রাহুল দেব বর্মনের মৃত্যুকে মেনেই নিয়েছিলেন। তবে সবসময় তিনি কষ্ট পেতেন রাহুল দেব বর্মন মারা যাওয়ার পর মিডিয়ার ভূমিকার জন্য।
দ্বিতীয় বিয়ে করার সময় সন্তানরা বড় হয়ে গেছে বলে খুব সংক্ষেপে আনুষ্ঠানিকতা সেরেছিলেন। পঞ্চমের মৃত্যুর পর সেটাই কাল হলো। এমন কথাও প্রচার করা হয় যে আশাজী আসলে রাহুল দেব বর্মনকে বিয়েই করেননি। ভাগ্যিস খুব ঘরোয়াভাবে হলেও আনুষ্ঠানিকতাটা সেরেছিলেন! আর্য সমাজের নিয়ম অনুযায়ী বিয়ে করার পর রেজিস্ট্রিও করিয়েছিলেন। অপপ্রচার বন্ধ করার জন্য এক পর্যায়ে বিয়ের সার্টিফিকেটটাও দেখাতে হয়। সে কথা কখনো ভোলেননি তিনি।
]]>‘পেপার ফোন’র গল্প অত্যন্ত সরল হলেও আবেগে গভীর। একটি নিষ্পাপ ছোটছেলে তার সঞ্চয় করা ১৫ ইউয়ান হাতে নিয়ে একটি কাগজের দোকানে যায়। তার সদ্য প্রয়াত দাদির স্মৃতির উদ্দেশে পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য সে একটি কাগজের মোবাইল ফোন কিনতে চায়। শিশুটি এখনও ‘মৃত্যু’ শব্দের প্রকৃত অর্থ বুঝতে পারেনি। সে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে- ‘মৃত্যু কি দূরের কোথাও চলে যাওয়াকে বলে?’ তার ছোট্ট কল্পনার জগতে দাদি এমন এক দূরবর্তী স্থানে গেছেন, যেখানে কেউ পৌঁছাতে পারে না। তাই তার বিশ্বাস, একটি ছোট মোবাইল ফোন হয়তো সেই দূরত্বের ওপর একটি সেতু হয়ে উঠতে পারে।
এই সিনেমার নির্মাতা দুই তরুণ- লি থিং ও ইয়াং সুয়ান। একজন চিত্রনাট্য ও আবেগের সূক্ষ্মতা নির্মাণে কাজ করেছেন, অন্যজন স্টোরিবোর্ড ও ভিজ্যুয়াল টেক্সচার নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দিয়েছেন। দুজনেই চীনের ছাওশান অঞ্চলের মানুষ, যেখানে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে কাগজের জিনিসপত্র তৈরি ও পোড়ানোর ঐতিহ্য বহুল প্রচলিত। তাদের শৈশবের স্মৃতি- কাগজের টাকা, কাগজের ঘর বা কাগজের মোবাইল পোড়ানোর সংস্কৃতি এই সিনেমা নির্মাণে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
ছাওশান অঞ্চলে ছিংমিং দিবস শুধু শোকের দিন নয়, এটি জীবিত ও মৃতদের মধ্যে একধরনের প্রতীকী যোগাযোগের মাধ্যম। ধূপ জ্বালানো ও কাগজের জিনিস পোড়ানোর মাধ্যমে মানুষ বিশ্বাস করে, তারা মৃত আত্মীয়দের কাছে প্রয়োজনীয় জিনিস পাঠাতে পারছে এবং তাদের সঙ্গে একধরনের আধ্যাত্মিক সংযোগ স্থাপন করছে।
শর্টফিল্মটি দেখার পর অনেক দর্শকই বিশ্বাস করতে পারেননি যে এটি সম্পূর্ণ এআই দিয়ে তৈরি। চরিত্রের আবেগ, ত্বকের টেক্সচার, আলো-ছায়ার ব্যবহার ও পরিবেশ- সবই প্রশংসা কুড়িয়েছে।
একসময় এআই নির্মিত কাজকে ‘ঠাণ্ডা’, ‘যান্ত্রিক’ ও ‘আবেগহীন’ বলে মনে করা হতো। কিন্তু ‘পেপার ফোন’ সেই ধারণাকে বদলে দিয়েছে! এটি দেখিয়েছে যে, এআই ভিডিও প্রযুক্তি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে গল্পের আবেগ, পরিবেশ ও মানবিক অনুভূতিও যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব।
শর্টফিল্মটির বেশিরভাগ দৃশ্য তৈরি হয়েছে চীনের এআই ভিডিও মডেল খ্যলিং ৩.০ ওমনি ব্যবহার করে। দৃশ্য নির্মাণ, চরিত্রের নকশা, অ্যাকশন ডিজাইন, সাউন্ডট্র্যাক- এমনকি চরিত্রের চোখের সূক্ষ্ম অভিব্যক্তিও এআই দ্বারা তৈরি হয়েছে। তবে নির্মাতারা লক্ষ্য করেন যে, এআই দিয়ে তৈরি কাগজের মোবাইলটি অত্যন্ত নিখুঁত হয়ে গেছে, যেন শিল্পপণ্য! এতে একজন সাধারণ বৃদ্ধ দোকানির হাতে আঁকা স্বাভাবিক অমসৃণতা ছিল না। তাই শেষপর্যন্ত তারা নিজেরাই মোবাইলটির নকশা আঁকেন।
সামাজিকমাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে সিনেমাটির একটি ছোট ‘ত্রুটি’ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। একটি দৃশ্যে দেখা যায়, দোকানদার ফোন করার সময় তার আঙুল ডায়াল স্পর্শ করছে না; আর এ থেকেই অনেকে বুঝতে পারেন এটি এআই-নির্মিত কাজ।
নির্মাতারা জানিয়েছেন, তারা এই ত্রুটি লক্ষ্য করেছিলেন, কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবেই তা রেখে দিয়েছেন। কারণ তাদের মতে প্রযুক্তিগত নিখুঁততার চেয়ে চরিত্রের আবেগ ও গল্পের অনুভূতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই এর প্রকৃত সাফল্য প্রযুক্তির উৎকর্ষে নয়, বরং একটি মানবিক, সাংস্কৃতিকভাবে গভীর ও আবেগী গল্প বেছে নেওয়ার মধ্যেই মূল শক্তি নিহিত।
সূত্র: সিএমজি বাংলা
]]>এবারের গল্প আবর্তিত হয়েছে গ্রামে নতুন এক অতিথির আগমনকে কেন্দ্র করে। অতিবিদ্বান এই অতিথির আবির্ভাবে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব পরিস্থিতিতে জ্ঞানী গণি কি পারবে তার বুদ্ধি দিয়ে সামাল দিতে? নাকি নিজেই জড়িয়ে যাবে কোনো বড় বিপদে? এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে পর্দায়।
ইমরান ইমন বলেন, ‘জ্ঞানী গণি চরিত্রটি দর্শকের খুব কাছের। এবারের গল্পে আমরা জ্ঞানের মারপ্যাঁচে এক ভিন্নরকম সামাজিক অসঙ্গতি হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি, প্রতিবারের মতো এবারও দর্শক গণির কাণ্ডকারখানা বেশ উপভোগ করবেন।’
শরাফ আহমেদ জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত এই নাটকের চিত্রনাট্য ও সংলাপে উঠে এসেছে পারিবারিক বন্ধন ও বুদ্ধিমত্তার লড়াই। এতে আরও অভিনয় করেছেন শবনম ফারিয়া, রাফিউল কাদির রুবেল, আদিয়াত জামান আয়ান, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, শাহাদাত শিশির, মাহমুদ আলম, সায়র নিয়োগী প্রমুখ।
বঙ্গ জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) তাদের প্ল্যাটফর্মে নাটকটির এই নতুন সিক্যুয়েলের স্ট্রিমিং হবে।
]]>একজন বাইক রাইডারের সংগ্রামের গল্প নিয়ে তৈরি হচ্ছে এটি। প্রধান চরিত্রসহ অন্যান্য চরিত্রে কে কে অভিনয় করেছেন জানতে চাইলে নুহাশ বলেন, ‘আমরা এখনো অভিনয়শিল্পীদের নাম বলিনি। এটা আমরা সময় নিয়ে ঘটা করে জানাতে চাই।’
তবে প্রথম সিনেমায় কোনো জনপ্রিয় তারকা থাকছেন না বলে নিশ্চিত করেন নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন। তার ভাষ্য, ‘সিনেমার প্রধান চরিত্র নতুন মুখ। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে সিনেমার সঙ্গে যায়, এমন চরিত্র খুঁজছিলাম। অনেকবার অডিশন নিয়ে চরিত্রের সঙ্গে যায়, এমন কাউকে বেছে নিয়েছি।’
প্রথম সিনেমা প্রসঙ্গে নুহাশ বলেন, ‘পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে কাজটি করছি শুধু নিজের মতো করে সিনেমা বানানোর জন্য। চিত্রনাট্য, বাজেট ও গল্পের ডেভেলপমেন্টের কারণে সময় লেগেছে। চাইলে দ্রুত কাজ করা যেত কিন্তু প্রথম সিনেমায় নিজের মতো সময় নিয়েছি। এখন কাজটা পরিকল্পনামতো পর্দায় তুলে ধরতে চাই।’
‘মুভিং বাংলাদেশ’ সিনেমার সঙ্গে যুক্ত আছে আন্তর্জাতিক প্রযোজক ও একাধিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। এর চিত্রনাট্য বিশ্বের একাধিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকে তহবিল পেয়েছে। সিনেমাটি ২০২১ সালে প্রথম তাইওয়ানের তাইপে ফিল্ম কমিশন থেকে ৮৯ হাজার ৮০০ ডলারের তহবিল পায়। পরে সিনক্রাফট ফিল্ম ফান্ড থেকে পায় ২৫ লাখ টাকা। শুধু তাই নয়, সিনেমাটি টোকিও গ্র্যান্ট ফাইন্যান্সিং মার্কেট, কান উৎসবের মার্শে দ্যু ফিল্ম বাজার, লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসব ও ভারতের ফিল্ম বাজার থেকে নানা সহযোগিতা পেয়েছে।
মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সিনেমাটির শুটিং চলবে বলে জানা গেছে। পরে টানা সিনেমার পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ করতে চান নির্মাতা।
এদিকে, স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা দিয়ে নির্মাতা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন নুহাশ হুমায়ূন। এছাড়াও ‘পেট কাটা ষ’, ‘দুই ষ’র মতো প্রশংসিত ওয়েব সিরিজ নির্মাণ করেন। এর মধ্যে ‘পেট কাটা ষ’ আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয়তা পায়। লন্ডনের ‘রেইনড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে’ সেরা সিরিজের পুরষ্কার পেয়েছে এটি। তার স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘মশারি’ ১০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে। এটি অস্কারে যাওয়া বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা।
]]>শিল্পী মনির খান বলেন, ‘নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে মিজানুর রহমান মিথুনের লেখা গানটি দারুণ হয়েছে। আলী আশরাফ ভাই গানটির চমৎকার সুর করেছেন। গানের প্রতিটি কথা আমার কাছে ভালো লেগেছে। নতুন বছরের শ্রোতারা গানটি শুনে নতুন উদ্যমে বছর শুরু করার প্রেরণা পাবেন বলে আমি মনে করছি।’
গানটি প্রসঙ্গে সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলী আশরাফ বলেন, ‘এর আগেও আমি মিজানুর রহমান মিথুনের লেখা গান করেছি। পহেলা বৈশাখের গানটিও তিনি সুন্দর লিখেছেন। গানে তিনি বৈশাখের আবহ মনোমুগ্ধকরভাবে তুলে ধরেছেন। সেই সঙ্গে মনির খান তার দরাজ কণ্ঠে অসাধারণ গায়কীতে গানটিতে প্রাণ দিয়েছেন। গানটি সবাই পছন্দ করবেন বলে আমি আশা করছি।’
বৈশাখের গানটি প্রসঙ্গে গীতিকার মিজানুর রহমান মিথুন বলেন, ‘যাদের গান শুনে আমাদের প্রজন্ম সংগীতপ্রেমী হয়েছে- জনপ্রিয় শিল্পী মনির খান তাদের একজন। তার জন্য গান লিখতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে লেখা এ গানটি মনির ভাই তার জাদুকরী কণ্ঠে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আশা করছি গানটি সবার হৃদয় ছুঁয়ে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বৈশাখের গানটি রেকর্ডিংয়ের জন্য বাংলাদেশ বেতারের কর্মকর্তা শ্রদ্ধেয় ইয়াসমিন আক্তার আপার অবদান অনেক। তাকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
]]>আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জয়া আহসান তার ফেসবুকে একটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমি যেমন, তেমনই লালের মতোই তীব্র।’
ছবিতে দেখা যায়, রাজকীয় বেশে জয়া আহসান শাড়ির আঁচল ছড়িয়ে একটি চেয়ারে বসে গম্ভীরভাবে তাকিয়ে আছেন। তার পরনে ছিল গাঢ় লাল রংয়ের সিল্কের বেনারসি শাড়ি, যার পাড় জুড়ে রয়েছে জমকালো সোনালি সুতোর জড়ির কাজ।
অলঙ্কার হিসেবে বেছে নিয়েছেন নব্বই দশকের নায়িকাদের মতো সোনালি গয়না। মোটা বালা, কানের দুল এবং নেকলেস যা লালের তীব্রতার সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে গেছে।
চুলের স্টাইলেও ছিল এক ধরনের পুরোনো আভা। খোঁপা করা চুল, কপালে লাল টিপ, গাঢ় লাল লিপস্টিক আর জয়া আহসানের গম্ভীর চাহনি পুরো লুকটাকে দিয়েছে এক ধরনের ক্লাসিক ও শক্তিশালী ছোঁয়া।
জয়া আহসানের সৌন্দর্যের পাশাপাশি নেটিজেনদের নজর কাড়ে ছবির ক্যাপশনও। এক ভক্ত মন্তব্যঘরে লিখেছেন, ‘নিজের মতো থাকা, নিজের শক্তিকে লুকিয়ে না রেখে সাহসের সাথে প্রকাশ করাই আসল পরিচয় জয়া আহসান।’
]]>এদিকে গত ২৭ মার্চ ইউটিউবে মুক্তি পাওয়া ‘সুপ্তাদের বাড়ি’ নাটকটিও দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তানিয়া বৃষ্টি। পারিবারিক আবহের এই নাটকে তার সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন মোহাম্মদ বারী, সাবেরী আলম, সামিরা খান মাহি ও মাখনুন সুলতানা মাহিমা। দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও নিয়মিত কাজে ফেরার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেত্রী।
]]>স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, মার্কেট বন্ধ থাকলে দর্শক আসার সুযোগ কমে যায়। তাই পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বিকাল পর্যন্তই শো চালানো হবে, সন্ধ্যার পরের সব প্রদর্শনী বন্ধ থাকবে। ব্লকবাস্টার সিনেমাসের সহকারী ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘অফিস শেষে দর্শকরা সাধারণত সন্ধ্যার পর পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখতে আসেন। এই সময় শো বন্ধ থাকলে দর্শক হারানোর পাশাপাশি ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সামনে নতুন করে প্রদর্শনীর সূচি সাজাতে হতে পারে।’ চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশা, বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সহানুভূতিশীল সিদ্ধান্ত নেবে। কারণ ঈদের এই জমজমাট সময়ে প্রদর্শনী সীমিত হয়ে গেলে শুধু একটি মৌসুম নয়, পুরো চলচ্চিত্রশিল্পের গতিই শ্লথ হয়ে পড়তে পারে।
এ পরিস্থিতিতে সরব হয়েছেন ঈদের সিনেমাগুলোর নির্মাতা ও প্রযোজকরা। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানালেও সিনেমা হল বন্ধ রাখার প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার সংকট মোকাবিলায় রাত ৭টার পর মার্কেট বন্ধ রাখার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা তারা সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করছেন। তবে এই সিদ্ধান্তের কারণে মার্কেটের ভেতরে থাকা সিনেমা হলগুলোও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা চলমান ঈদের সিনেমা এবং সামগ্রিক চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। নির্মাতা-প্রযোজকদের মতে, ঈদের সিনেমার মূল দর্শক সমাগম ঘটে সন্ধ্যা ও রাতের শোগুলোতে, যা ‘প্রাইম টাইম’ হিসেবে বিবেচিত। দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে অধিকাংশ দর্শক এই সময়েই পরিবারসহ প্রেক্ষাগৃহে আসেন। ফলে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শো বন্ধ হয়ে গেলে বিপুলসংখ্যক দর্শক সিনেমা দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন। তারা অতীতের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে বলেন, আগে মার্কেট নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ হলেও সিনেমা হলগুলোকে সেই নিয়মের বাইরে রাখা হতো। রাত ১০টা বা শো শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রদর্শনী চালানোর অনুমতি থাকত এবং এতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান পরিস্থিতিতেও একই ব্যবস্থা বজায় রাখার দাবি জানান তারা।
অর্থনৈতিক দিকটিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘একটি সিনেমা নির্মাণের পেছনে প্রযোজকের কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ থাকে। উৎসবের এই কয়েকদিনেই সেই বিনিয়োগ তুলে আনার প্রধান সময়। পিক-আওয়ারে হল বন্ধ থাকলে লগ্নিকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় চলচ্চিত্রের জন্য খুবই খারাপ হবে।’ এ প্রেক্ষিতে তাদের প্রধান দাবি- সিনেমা হলকে সাধারণ দোকানের আওতামুক্ত রেখে, মার্কেট বন্ধ থাকলেও আগের মতো প্রদর্শনী চালু রাখার সুযোগ দেওয়া। তারা মনে করেন, এতে একদিকে দর্শকদের ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পাবে, অন্যদিকে প্রযোজকরাও তাদের বিনিয়োগ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নির্মাতা তানিম নূর, প্রযোজক সাকিব আর খান, ‘রাক্ষস’ প্রযোজক শাহরিন আক্তার সুমি, ‘দম’-এর নির্মাতা রেদওয়ান রনি ও প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল, ‘প্রেশার কুকার’ নির্মাতা ও প্রযোজক রায়হান রাফী এবং ‘প্রিন্স’-এর প্রযোজক শিরিন সুলতানা।
]]>দীর্ঘ দুই দশক পর আবারও একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন বলিউড সুপারস্টার Akshay Kumar এবং খ্যাতনামা নির্মাতা Priyadarshan। তাদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন সিনেমা Bhoot Bangla-এর ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই দর্শকমহলে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।
সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ট্রেলারে রহস্য, ভৌতিক আবহ আর হাস্যরসের মিশেলে এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতার আভাস মিলেছে। প্রথম ঝলক প্রকাশের পর অনেকেই ধারণা করেছিলেন, এটি হয়তো জনপ্রিয় সিনেমা Bhool Bhulaiyaa-এর সিক্যুয়েল। তবে ট্রেলার প্রকাশের মাধ্যমে সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নির্মাতা জানিয়েছেন—এটি সম্পূর্ণ নতুন গল্পের সিনেমা।
গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রহস্যময় এক গ্রাম—‘মঙ্গলপুর’। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘অভিশপ্ত গ্রাম’ হিসেবেই পরিচিত। কারণ, এই গ্রামে একটি ভয়ংকর বিশ্বাস প্রচলিত—যেই মুহূর্তে বিয়ের সানাই বাজে, ঠিক তখনই আবির্ভাব ঘটে অশুভ শক্তি ‘বধাসুর’-এর। আর সেই উপস্থিতির পরিণতি একটাই—মৃত্যু।
সিনেমায় দেখা যায়, এক যৌথ পরিবার বিয়ের আয়োজন করতে গিয়ে আশ্রয় নেয় গ্রামের একটি প্রাচীন রাজপ্রাসাদে। শুরুতে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও ধীরে ধীরে ঘটতে থাকে একের পর এক অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর ঘটনা। অজানা আতঙ্ক, অদৃশ্য উপস্থিতি আর রহস্যময় ঘটনার জালে আটকে পড়ে পুরো পরিবার।
ভৌতিক থ্রিলের সঙ্গে হালকা কমেডির ছোঁয়া—এই পরিচিত ফর্মুলাতেই আবারও বাজিমাত করতে চলেছেন অক্ষয়–প্রিয়দর্শন জুটি। ট্রেলার দেখেই বোঝা যাচ্ছে, দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করছে এক গা ছমছমে অথচ বিনোদনপূর্ণ অভিজ্ঞতা।
এখন দেখার বিষয়—‘ভূত বাংলা’ কি আবারও বক্স অফিসে তৈরি করতে পারে নতুন ইতিহাস, নাকি শুধুই রহস্যের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকবে এর সাফল্য।