সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর রমনার বটমূলে র্যাবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
র্যাব ডিজি বলেন, নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে শাহবাগ, টিএসসি, হাতিরঝিল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও রমন বটমূলসহ রাজধানীর যেসব স্থানে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, সেসব স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাব। এ জন্য পরীক্ষণ চেক পোস্ট ও অবজারভেশন চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কয়াড কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সারাদেশে নববর্ষ চলাকালীন সার্বিক নিরাপত্তায় কন্ট্রোল রুম, চেক পোস্ট ও সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি রোধে সতর্কাবস্থায় রয়েছে র্যাব। আশা করি, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আনন্দের সঙ্গে উদযাপন হবে নববর্ষ।
তিনি আরও বলেন, কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে র্যাব কাজ করবে।
]]>বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।
সর্বশেষ দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমানো হয়, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য হ্রাস।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় পর্যায়ে কাঁচা স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমে যাওয়ার প্রভাবেই দেশের বাজারে এই মূল্য সমন্বয় হয়েছে।
]]>আজ সোমবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
]]>তবে সরকার বলছে, জ্বালানি তেলের সংকট নেই। মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কিনছে। ফলে সংকট হচ্ছে। কার্যত আমদানি ও সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে জ¦ালানি তেল বিক্রিতে অলিখিত রেশনিং চলছে। শুধু গণপরিবহনের নয়, বিভিন্ন শিল্পকারখানায়ও পর্যাপ্ত জ¦ালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। ফলে শিল্প মালিকদের মধ্যেও শিল্পকারখানা চালু রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
গাজীপুর অঞ্চলের একাধিক শিল্প মালিক আমাদের সময়কে বলেন, তারা নিয়মিত বিভিন্ন ডিলারের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতেন। কোনো কোনো কারখানায় মাসে ৯ হাজার লিটারের তিন-চার গাড়ি ডিজেল প্রয়োজন হতো। এখন ডিলাররা জ্বালানি তেল দিতে পারছে না ঠিকমতো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দাম বেশি দাবি করছে। তবে বেশি দাম দিয়েও প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারছে না।
বিষয়টি নিয়ে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আমাদের সময়কে বলেন, বিভিন্ন শিল্প মালিক আগে তাদের প্রয়োজনীয় জ¦ালানি তেল তেলের ডিপো বা অনেক ডিলারের কাছ থেকে সংগ্রহ করে নিতেন। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে স্বাভাবিক তেল সংগ্রহ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। অনেক শিল্প মালিক ঠিকমতো জ¦ালানি তেল সংগ্রহ করতে পারছে না। বিষয়টি নিয়ে আমি জ¦ালানিমন্ত্রী, বিপিসির চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা নিশ্চিত করছেন যাতে শিল্পকারখানাগুলোতে প্রয়োজনীয় জ¦ালানি তেল সরবরাহ করা হয়। তবে বাস্তবতা হলো বিভিন্ন জেলাপর্যায়ে ডিপোগুলো থেকে শিল্প মালিকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত জ¦ালানি তেল পাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে চাহিদার অর্ধেক বা কিছুটা কমিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, যে কোনোভাবেই হোক শিল্পকারখানার প্রয়োজনীয় জ¦ালানি তেলের জোগান নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলেও দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিষয়টি নিয়ে জ¦ালানি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, সত্যিকার অর্থে বিশ্বব্যাপী এখন জ্বালানি তেলের জোগান নিয়ে এক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের অনিশ্চয়তা একটু বেশি। তিনি বলেন, যদিও সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে জ¦ালানির জোগান ও সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে। তবে আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে তেলের মজুদ করার যে অদমনীয় প্রবণতা এটা হতাশাজনক। ফলে সরকার বাধ্য হয়েছে জ¦ালানি তেলের বরাদ্দ বা সরবরাহের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে। বিশেষ করে যে কোনো বড় গ্রাহকের গত বছরের বরাদ্দ বিবেচনায় চলতি বছর সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শিল্পকারখানায় তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বারবার বলা হয়েছে। তবু অনেক জায়গায় অভিযোগ থাকবে= এটাও আমরা মানছি। কারণ জেলা প্রশাসকদের জ¦ালানি তেল সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনায় কঠোর হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে কোথাও কোথাও সংকট সৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে জ¦ালানি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল জ্বালানি বিভাগ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং তিনটি তেল বিপণনকারী কোম্পানি- পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার সঙ্গে বৈঠক করেছে। সেখানে জ¦ালানি তেল সরবরাহ পরিস্থিতিতে তেল বরাদ্দের ক্ষেত্রে কঠোর হতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা আমাদের সময়কে বলেন, জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহে সংকট রয়েছে। তবে সরকার যে প্রক্রিয়ায় আমদানি করে সরবরাহ চালিয়ে রাখার চেষ্টা করছে, সেখানে যদি গণহারে মজুদ করার চেষ্টা রুখে দেওয়া না যায় তবে যত তেলই আমদানি বা সরবরাহ করা হোক না কেন, সংকট বড় হয়ে দেখা দেবে। ফলে তেল বরাদ্দের ক্ষেত্রে সবক্ষেত্রে কঠোর হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে ইরানযুদ্ধের আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন সামনে কঠিন পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। বিষয়টি নিয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, যে কোনো যুদ্ধেই বাংলাদেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ইরানযুদ্ধের কারণে সেটা ক্রমান্বয়ে খারাপ দিকে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি, ডলারের দামটা ওঠানামা করছে। আগামীতে বেশি বোঝা যাবে দুটি জিনিসে; আমাদের রেমিট্যান্সে কতটুকু প্রভাব ফেলেছে এবং রপ্তানিতে কতটুকু প্রভাব পড়েছে। এটার হিসাব পেলে পুরো পরিস্থিতি বোঝা যাবে। তিনি বলেন, এ যুদ্ধে জ¦ালানি তেলের স্বাভাবিক প্রবাহ ছাড়াও নানা ক্ষেত্রে প্রভাব পড়ছে। আমাদের রেমিট্যান্স, জনশক্তি রপ্তানি, শিল্পকারখানার উৎপাদন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া নানা দিক।
ম. তামিম বলেন, আপাতত জ্বালানিতে সরকার ভর্তুকি দিয়ে চালাচ্ছে। যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা হলেও সেটা এখনও সমাধান হয়নি। এ যুদ্ধ কবে থামবে সেই নিশ্চয়তা নাই। এ ছাড়া যুদ্ধ থামলেও খুব দ্রুত সেই ৮০ ডলার বা ৭০ ডলারে তেলের দাম ফেরত যাচ্ছে না। তেলের দাম ১০০ ডলারই থাকবে। তিনি বলেন, আমাদের মতো আমদানিনির্ভর দেশ যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যুদ্ধ বেশি দিন চলা মানে আমাদের উদ্বেগ বাড়বে।
জানা গেছে, ইতোমধ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ চলাচলে ব্যবহৃত জেট এ-১ (এভিয়েশন ফুয়েল) জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এপ্রিল মাসে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটে লিটারে ২২৭ টাকা ৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় যা প্রায় দ্বিগুণের বেশি। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনাকারী দেশি ও বিদেশি এয়ারলাইন্সের জন্য শুল্ক ও মূসকমুক্ত জেট এ-১ জ্বালানির মূল্য প্রতি লিটার ১ দশমিক ৪৮০৬ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে গতকাল আবার ফার্নেস অয়েলের (এইচএফও) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারে দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা।
এ ছাড়া চলতি এপ্রিল মাসে গ্রাহকপর্যায়ে প্রায় সব ধরনের এলপিজির দাম বেড়েছে। ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলিকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এপ্রিলে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। ফলে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম হয়েছে এক হাজার ৭২৮ টাকা। গত মাসে দাম ছিল এক হাজার ৩৪১ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে এক লাফে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৩৮৭ টাকা।
অর্থাৎ যুদ্ধের প্রভাব অব্যাহতভাবে বাড়ছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে, যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ছে অর্থনীতিতে। দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে, পরিবহনের দাম বেড়ে যাচ্ছে; একই সঙ্গে অন্যান্য জ¦ালানি তেলের দাম বাড়ার আশাঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বাড়তে পারে বিদ্যুতের দামও।
]]>আজ রোববার ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দরবারে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে নানা ঘটনা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে তিনি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ওই ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বাহিনীকে বিতর্কিত করার প্রচেষ্টা দেখা গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো আমলে সেনাবাহিনীর ভূমিকা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাহিনীর ভূমিকা আরও স্বচ্ছ ও পেশাদার হওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, সেই সময় থেকে সেনাবাহিনীর মধ্যে যে দেশপ্রেম ও শক্তিশালী মনোভাব গড়ে উঠেছিল, তা অব্যাহত রাখা জরুরি। তার মতে, একটি ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী থাকলে বাংলাদেশকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে অংশগ্রহণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিএনপি সরকারই অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য গঠিত একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। সেনাবাহিনীর মূল দায়িত্ব হলো দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং এই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা বিভাজন গ্রহণযোগ্য নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু সেনাবাহিনী নয়, দেশের প্রতিটি সেক্টর সংস্কার ও প্রতিটি মানুষের উন্নয়নের ইশতেহার আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। রাষ্ট্র মেরমতের লক্ষ্যে বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিল। জুলাই সনদের প্রতিটি দফা ঠিক যেভাবে ছিল, সেভাবেই বাস্তবায়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর।’
]]>শেরপুর ও বগুড়ার দুই আসনের নবনির্বাচিত দুই এমপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।তারা দুজনই বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য।
আজ রোববার দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের পঞ্চম তলায় স্পিকারের কক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠিত হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ নবনির্বাচিতদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
নবনির্বাচিত দুই এমপি হলেন- শেরপুর-৩ আসনের মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বগুড়া-৬ আসনের রেজাউল করিম বাদশা।
শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এবং সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
স্পিকারের কাছে শপথ নেওয়ার পর দুই সংসদ সদস্য রীতি অনুযায়ী শপথ বইয়ে স্বাক্ষর এবং স্পিকারের সঙ্গে করমর্দন করেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩শ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছিল। শেরপুর-৩ আসনে একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ আসনে বিজয়ী তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। গত ৯ এপ্রিল স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন হয়। গতকাল বিজয়ী দুই সদস্যের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনে বিজয়ী এমপিরা শপথ নেন। বিগত সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকায় নতুন সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সব মিলিয়ে এই পর্যন্ত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নিলেন। বাকি চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল গণনা শেষ হলেও আদালতের নির্দেশনা থাকায় তা ঘোষণা করা হয়নি। প্রার্থিতা নিয়ে মামলার নিষ্পত্তি শেষে সেই ফল ঘোষণা করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হাম আক্রান্তদের মধ্যে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ১৫০ জনে পৌঁছেছে।
তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের মধ্যে হাম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলও হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছি এবং দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক করেছি। সেখান থেকে প্রাপ্ত সুপারিশ সরকারকে জানানো হয়েছে।’
হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের সময় টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টির একটা কারণ। এ প্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকার গণ টিকাদান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নিজ নিজ শিশুদের টিকা দেওয়ার মাধ্যমে এই কর্মসূচিকে সফল করতে হবে।’
উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে এই কর্মসূচি শুরু হয়, যা পর্যায়ক্রমে সারাদেশে আগামী ১১ মে পর্যন্ত চলবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এ এলাকায় ৪৫০টি স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর ডা. এস এ শাফি, সহকারী পরিচালক ডা. মো. নুরুল হকসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা।
]]>আজ রোববার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। পাশাপাশি আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ ছাড়া দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে। সেই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
এদিকে সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ শতাংশ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, ঢাকায় গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া আজকের সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে এবং আগামীকালের সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে।
]]>সভায় সহায়তা প্রদান করে নারী উন্নয়ন শক্তি এবং ফোরাম ফর কালচার অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট, পিপুল হেলথ মুভমেন্ট, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম, ডোমেস্টিক ওয়ার্কার এমপ্লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলিডস।
সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, গত বছরে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির কার্যক্রম সরকারের গাফিলতির কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে। টিকা সরবরাহে বিঘ্ন, মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট, আন্তর্জাতিক সহায়তা হ্রাস এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সেবার সীমিত পৌঁছানোর ফলে প্রায় ৪ লাখ শিশু পূর্ণ টিকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং প্রায় ৭০ হাজার শিশু একটিও টিকা পায়নি।
এ ছাড়া হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগের পুনরুত্থান ঘটছে এবং শিশু মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, টিকাদান কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলে প্রতি বছর প্রায় ৯৪ হাজার শিশুর জীবন রক্ষা সম্ভব, যা বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়াইডব্লিউডিআরসির এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান সুলতানা নুসরাত আফরোজ। তিনি বলেন, টিকাদান কার্যক্রমে এ ধরনের ভাঙন একটি ভয়াবহ সংকট তৈরি করছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে প্রতিরোধযোগ্য রোগে শিশুমৃত্যুর হার বহুগুণ বেড়ে যাবে; জাতীয় বাজেটে মা ও শিশুস্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।
সভায় নারী উন্নয়ন শক্তির নির্বাহী পরিচালক ড. আফরোজা পারভিন বলেন, শতভাগ শিশুর সব টিকা নিশ্চিত করতে হবে। পিপুল হেলথ মুভমেন্টের নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বলেন, যারা শিশুদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে। বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য ড. সুলতান মোহাম্মদ রাজ্জাক বলেন, ‘শিশুর জন্মের পর থেকে সব টিকা প্রতিটি শিশুর অধিকার, সরকারকেই এ অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ফোরাম ফর কালচার অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের সভাপতি শাহেদা ওয়াহাব বলেন, জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। ডোমেস্টিক ওয়ার্কার এমপ্লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নাসিমা হক বলেন, শিশু স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মাতৃস্বাস্থ্য সুরক্ষাও সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে। সিলিডস-এর সদস্য সেলিনা আক্তার বলেন, ইপিআই প্রোগ্রাম পুনরায় চালু করতে হবে। সভায় আরও অনেকে বক্তব্য প্রদান করেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য লিখিত দাবি জানান; যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে পর্যাপ্ত বাজেট বৃদ্ধি ও টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করা। মাঠপর্যায়ে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ জোরদার করা।
]]>এমন অবস্থায় পাকিস্তানের ইসলামাবাদে তেহরান ও ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি আলোচনার দিকে তাকিয়ে আছে বাংলাদেশ। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই আলোচনা শুধু একটি কূটনৈতিক ঘটনাই নয়, বরং তা নির্ধারণ করতে পারে বাংলাদেশের জ্বালানি বাজার কত দ্রুত স্থিতিশীল হবে, নাকি আরও গভীর অনিশ্চয়তার দিকে যাবে। তবে বাস্তবতা হলো, যুদ্ধ থেমে গেলেও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে; ফলে স্বল্পমেয়াদে সংকট কাটার কোনো সহজ ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আমাদের সময়কে বলেন, সত্যিকার অর্থে গত ৪০ দিনের যুদ্ধে বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা গেলেও অনেক বেগ পেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। তিনি বলেন, শুরুতে আমাদের ধারণা ছিল এই যুদ্ধ হয়তো আগের বারের মতো এক দুই সপ্তাহে থেমে যাবে। তবে টানা ৪০ দিন চলার পরও ততটা উন্নতি দেখছে না। এ কর্মকর্তা বলেন, আমরা ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত তেহরান ওয়াশিংটনের আলোচনার দিকে তাকিয়ে আছি। আশা রাখছি সমাধান হবে। সেটা না হলে সংকট কেবল বাড়তেই থাকবে।
জ্বালানি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা মনে করছেন, ইরান-আমেরিকার যুদ্ধবিরতি বা বন্ধের আলোচনা সবে শুরু হয়েছে। এখনও হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি চালু হয়নি। এ ছাড়া যুদ্ধ শেষ হলে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে। ইরান হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায় করতে চায়। এ ছাড়া এমন আলোচনাও এসেছে যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষ যে মাইন স্থাপন করেছে সেগুলো অপসারণও সময়সাপেক্ষ বিষয়। ফলে খুব দ্রুত জ্বালানি তেলের আমদানি সরবরাহ চেইন যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরে আসবে সেটা বলা যাচ্ছে না। কর্মকর্তারা বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার এখন সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বিভিন্ন দেশ থেকে বেশি দামে জ্বালানি তেল আমদানি করছে। তবে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি স্বাভাবিক না হলে অব্যাহতভাবে বেশি দামে তেল আমদানি করাও কঠিন হবে। সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তার মতে, জ্বালানি তেলের আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিশ্ববাজার ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছে। একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়েও সরকারকে নতুন করে ভাবতে হবে।
রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় মোটরসাইকেলের তেলের জন্য অপেক্ষা করছিল আফজাল নামে এক বাইকার। তিনি আমাদের সময়কে বলেন, কখনও এক ঘণ্টা, কখনও তার চেয়ে বেশি সময় অপেক্ষা করে তেল সংগ্রহ করতে হয়। তেল সংগ্রহ করতে অনেক ঝক্কি ঝামেলা হওয়ায় রোজগার কমে গেছে। আফজাল আরও বলেন, জ্বালানি তেল সংগ্রহ ও সংকটের কারণে রাস্তায় গাড়ি কমে গেছে। ফলে রাস্তাঘাট তুলনামূলক ফাঁকা থাকায় অনেক যাত্রী এখন বাইকে না চড়ে বাসে চড়ে চলে যাচ্ছে।
জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে অস্থিরতার কারণে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রভাব পড়েছে। বেশি দামে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করায় রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে জ্বালানি আমদানিতে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল না পেয়ে শিল্প কারখানা, বিভিন্ন খাতের ব্যবসায় ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মো. মনির হোসেন চৌধুরী আমাদের সময়কে বলেন, আমরা পরিবহন, কৃষি, শিল্পকারখানা সব ক্ষেত্রেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। তবে মজুদের প্রবণতা ঠেকাতে নানা দিক বিশ্লেষণ করে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হচ্ছে। আগের মতো যে যত চাইছে ততটুকু দেওয়া যাচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়াটা অবশ্যই যুদ্ধ বন্ধের ওপর নির্ভর করে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, যেকোনো যুদ্ধেই বাংলাদেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ইরান যুদ্ধের কারণে সেটা ক্রমান্বয়ে খারাপ দিকে যাচ্ছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, ডলারের দামটা ওঠানামা করছে। আগামীতে পরিস্থিতি বুঝতে দুটি বিষয় দেখতে হবেÑ রেমিট্যান্স ও রপ্তানিতে কতটুকু প্রভাব পড়েছে। তিনি বলেন, এ যুদ্ধে জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক প্রবাহ ছাড়াও নানা ক্ষেত্রে প্রভাব পড়ছেÑ জনশক্তি রপ্তানি, শিল্পকারখানায় উৎপাদন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া। তিনি বলেন, আপাতত জ্বালানিতে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে। যুদ্ধ থামলেও তেলের দাম খুব দ্রুত সেই ৮০ ডলার বা ৭০ ডলারে তেলের যাবে না।
]]>