ফেনীর পরশুরাম উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মো. ইয়াসিন শরীফ মজুমদার তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অংশ নিয়েছেন। এ সময় তার বাম হাতে হাতকড়া ছিল। সোমবার (২ মার্চ) সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। জানাজা শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে নেওয়া হয়।
মো. ইয়াসিন শরীফ মজুমদার পরশুরামের দক্ষিণ কোলাপাড়া এলাকার উপজেলা পরিষদ সড়কের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম মজুমদারের একমাত্র ছেলে। তিনি পরশুরাম উপজেলা যুবলীগের সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১ মার্চ) দুপুরে মো. ইয়াসিন শরীফ মজুমদারের বাবা রফিকুল ইসলাম মজুমদার (৭৪) বার্ধক্যের কারণে নিজ বাড়িতে মারা যান। পরবর্তীতে পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার জেলা প্রশাসন তাকে তিন ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি দেয়। পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যানে করে পরশুরাম উপজেলার সলিয়া ঈদগাহ মাঠে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১১টায় জানাজা শেষে বাবার লাশ সলিয়া পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের জন্য নেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, জানাজার সময় যুবলীগ নেতার দুই পাশে দুজন পুলিশ সদস্য ছিলেন। তার বাম হাতে হাতকড়া লাগানো ছিল এবং একজন পুলিশ সদস্য দড়ি ধরে রেখেছিলেন। এ ছাড়া আশপাশে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য অবস্থান করছিলেন।
ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. জাকারিয়া বলেন, ‘কারাবন্দী ইয়াসিন শরীফ মজুমদারের পরিবারের সদস্যরা জেলা প্রশাসকের কাছে প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করলে বিধি মোতাবেক তিন ঘন্টার জন্য পেরোলে মুক্তি দেওয়া হয়।’
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মহিপাল এলাকায় হামলা চালিয়ে হত্যার ঘটনায় একটি মামলায় ২০২৫ সালের ৩০ জুলাই রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি এলাকা থেকে ইয়াসিন শরীফ মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ২৫ আগস্ট থেকে তিনি ফেনী জেলা কারাগারে বন্দী রয়েছেন।







