পিএলের সিলেট ও রাজশাহীর ম্যাচে জয়-পরাজয় নির্ধারিতত হয়েছে শেষ বলে। জায়ের জন্যশেষ ওভারে ১১ রান দরকার ছিলো সিলেটের । রাজশাহীর বিনুরা ফার্নান্দো ওভারের প্রথম ৫ বলে ৩ রান দেন। এরপরই পর পর দুইটি ওয়াইড দেন বিনুরা। শেষ বলের সমীকরণ দাঁড়ায় ১ বলে ৬। শেষপর্যন্ত আর অঘটন ঘটেনি। শেষবলে রুয়েল মিয়াকে বোল্ড করে রাজশাহীকে ৫ রানের জয় এনে দেন শ্রীলঙ্কার এই বোলার।
শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নামে রাজশাহী। শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারালেওনাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ব্যাটিয়ে ভালো সংগ্রহের দিকেই এগোতে থাকে রাজশাহী।৫৬ রানের জুটি গড়েন তারা। কিন্তু শান্ত-মুশফিকদের বিদায়ের পর মন্থর হয় রানের গতি। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৪৭ রানের মাঝারি সংগ্রহ দাঁড় করায় রাজশাহী।
সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন শহিদুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ। সমান একটি করে মঈন আলী, রুয়েল মিয়া ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
ব্যটিংয়ে নেমে ১৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সিলেট। ওপেনার তৌফিক খান ৪ ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ আউট হন ১ রান করে। চাপ সামাল দেন অন্য ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও মুমিনুল হক ৪৯ রানের জুটি গড়ে। ৪১ রান করে দলীয় ৬৪ রানে ইমনের বিদায়ে পতন হয় তৃতীয় উইকেট ও ভাঙে জুটি। এরপর মুমিনুল জুটি গড়েন আফিফ হোসেনকে নিয়ে ৩২ রানের। জুটি ভাঙার পর বিদায় নেন দুজনেই দ্রুত। ১৬ রান করে আফিফ দলীয় ৯৬ রানে আর দলের বোর্ডে ১০০ রান হতেই আউট হন ৩১ রান করা মুমিনুল। ৫ উইকেট হারানোর পর ম্যাচের মোড় ঘোরাতে মঈন আলী হাত খুলে খেলতে শুরু করেন কিন্তু অপরপ্রান্তে ইথান ব্রুকস ১ রানে আউট হলে ষষ্ঠ উইকেটেরও পতন হয় ১১১ রানে। চাপটা আরও বাড়ে সিলেটের। ৩ ছক্কা ১ চারে ১২ বলে ২৭ রান করে মঈনের বিদায়ে ১০ বলে ১৩ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি সিলেট টাইটান্স। নাসুম, শহিদুল ও রুয়েল কোনো বাউন্ডারি বের করতে না পারায় হারতে হয়েছে ম্যাচ।
রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন রিপন মন্ডল। ২টি বিনুরা ফার্নান্দো ও একটি করে রুবেল, সাকলায়েন ও নিশামের ঝুলিতে।
সিলেট টাইটানসকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।







