ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে অতীতে যে ধরনের ‘সর্বোচ্চ চাপ’ ও কৌশলী অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা ওয়াশিংটন করেছিল, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ক্ষেত্রেও ট্রাম্প প্রশাসন একই ধরনের ছক কষছে বলে পশ্চিমা গণমাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক পুনর্নির্বাচন ও মধ্যপ্রাচ্যে তার কঠোর অবস্থানের কারণে এই আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।
২০২০ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ‘মাদক সম্রাট’ আখ্যা দিয়ে তার মাথার দাম ১৫ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা করেছিল মার্কিন বিচার বিভাগ। সে সময় মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বা বন্দি করতে নানা ধরনের গোপন অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার গোপন নীলনকশা তৈরি করছে হোয়াইট হাউস।
ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে পঙ্গু করতে কেবল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টির কৌশল নিয়েছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল উল্লেখ করেছে, মোসাদ ও সিআইএর মধ্যে সমন্বিত গোয়েন্দা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
ট্রাম্পের অতীত রেকর্ড ইঙ্গিত দেয় যে, তিনি প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে চরম সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করেন না। রয়টার্সের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা দল এবার আরও বেশি আগ্রাসী ও তারা ইরানকে ‘অস্তিত্ব সংকটে’ ফেলার ছক কষছে।






