মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছেন। সোমবার (২ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিহতদের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে সিলেটের বড়লেখার বাসিন্দা সালেহ আহমেদ আছেন। তিনি নাগরিক স্থাপনায় আকাশ থেকে নেমে আসা ধ্বংসাবশেষে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
এছাড়া বাহরাইনে নিহত চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদ তারেক । তিনি একটি ড্রাইডক শিপইয়ার্ডে ডিউটিকালীন সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ একটি জাহাজের উপর পড়লে তিনি মারা যান। এরি ঘটনায় আরও ৩ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তবে তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
বাংলাদেশ দূতাবাস সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হলে তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।
কুয়েতে ড্রোন হামলায় আহত চারজন বাংলাদেশি হলেন— নবীনগরের আমিনুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), সাথিয়ার রাবিউল ইসলাম (পাবনা), বেগমগঞ্জের মাসুদুর রহমান (নোয়াখালি) ও চাঁদিনার দুলাল মিয়া (কুমিল্লা)। তারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। কুয়েত দূতাবাস নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, এবং দূত নিজেও হাসপাতালে সাক্ষাৎ করেছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত ছয় মিলিয়নেরও বেশি বাংলাদেশির নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে প্রবাসীরা সতর্ক থাকেন এবং স্থানীয় সরকারের নির্দেশনা মেনে চলেন।







