ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে ৫৪৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪০৯টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। পুলিশের বিশেষ শাখার পক্ষ থেকে ৩টি ক্যাটাগরিতে এই ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
তালিকা অনুযায়ী, জেলার মোট ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৮৬টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ২২৩টি কেন্দ্রকে মধ্যম ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৩৮টি কেন্দ্রকে সাধারণ ভোটকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণাকালে পাল্টাপাল্টি হামলা, ভোটকে কেন্দ্র করে সংঘাত এবং নাশকতার আশঙ্কায় এসব কেন্দ্রকে ‘গোলযোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নজরদারির পাশাপাশি পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে একাধিকবার বৈঠক করে কোন কেন্দ্রে কত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে, তা নির্ধারণের কাজ চলছে।
এদিকে তফসিল ঘোষণার পর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সারাদেশে নির্বাচনী সহিংসতার সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। এসব ঘটনায় ৫ জন নিহত হয়েছেন।
পুলিশের হিসেব অনুযায়ী, অন্তত ৫০টি আসনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে বাকি আসনগুলোতে উল্লেখযোগ্য কোনো সংঘাতের ঘটনা না ঘটায় পরিস্থিতি মোটামুটি শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, ‘প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। কেন্দ্রের ঝুঁকি বিবেচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’






