দুই ভাগ্নি শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীসহ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আরেক প্লট দুর্নীতির মামলার রায়ের দিন আগামি ২ ফেব্রুয়ারি ঠিক করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম মামলাটির যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে শেষে রায় ঘোষণার এ দিন ঠিক করেন।
দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম যুক্তিতর্ক তুলে ধরে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন প্রর্থনা করেন।
মামলাটিতে মোট আসামি ১৮ জন। যার মধ্যে শেখ হাসিনা, রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীসহ ১৭ আসামি পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
তবে কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমের পক্ষে তার আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন। তিনি দুদক অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি উল্লেখ করে তার খালাস প্রার্থণা করেন। এ মামলায় ২৭ জনের সাক্ষ্য নেয় আদালত।
মামলার অপর আসামিরা হলেন-জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ে সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন, মো. অলিউল্লাহ, মাযহারুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, নায়েব আলী শরীফ।
এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের আরেক মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। এরপর আত্মপক্ষ শুনানিতে খুরশীদ আলম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চেয়েছেন।
প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগ শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা, তার দুই মেয়ে
টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক এবং ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিদের বিরুদ্ধে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। এর মধ্যে শেখ হাসিনা পরিবারের তিন মামলার বিচার শেষে সাজার রায় এসেছে। শেখ রেহানা ও টিউলিপেরও একটি মামলার রায়ে সাজা হয়েছে।








