কলোম্বিয়ার ভেনেজুয়েলা সীমান্তে একটি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিমানের ১৫ আরোহীর কেউই বেঁচে নেই।
আজ বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
এদিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কলোম্বিয়ার রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সাতেনা।
সাতেনা এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের একটি বিচক্রাফট ১৯০০ মডেলের বিমান ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
ওই বিবৃতিতে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য দেওয়া না হলেও বর্তমানে একটি পাহাড়ি এলাকায় বিমানের ধ্বংসাবশেষের অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা যায়।
উল্লেখ্য, নিহতদের মধ্যে কলম্বিয়ার আইনপ্রণেতা দিওজেনেস কিনতেরো আমায়া এবং আসন্ন কংগ্রেস নির্বাচনের প্রার্থী কার্লোস সালসেডো রয়েছেন।
আরও জানা যায়, ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে ওকানিয়া শহরে অবতরণের কথা ছিল। অবতরণের ঠিক ১১ মিনিট আগে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটি কলম্বিয়ার কুকুইতা শহর থেকে ওকানিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। এতে ১৩ জন যাত্রী এবং ২ জন ক্রু সদস্য ছিলেন।
নর্তে দে সান্তানন্দের গভর্নর উইলিয়াম ভিলামিজার জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে কলম্বিয়ার সশস্ত্র বাহিনী সাহায্য করছে। ওই এলাকাটির কিছু অংশ কলম্বিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইএলএন-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে লেখেন, ‘এই মৃত্যুগুলোতে আমি গভীরভাবে শোকাহত।’
নিহত আইনপ্রণেতা কিনতেরো সম্পর্কে তার ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, ‘তিনি এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি আজীবন অসহায় মানুষের সেবা করেছেন। কিনতেরো কলম্বিয়ার পার্লামেন্টের সেই ১৬টি আসনের একটির প্রতিনিধি ছিলেন, যা মূলত রাষ্ট্র ও ফার্ক বিদ্রোহীদের মধ্যকার সংঘাতের শিকার হওয়া মানুষের প্রতিনিধিত্বের জন্য সংরক্ষিত।’







