টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের হুমকি নিয়ে এখনো অচলাবস্থাই বজায় রয়েছে। এ বিষয়ে আইসিসি ও বোর্ডের কোনো জরুরি বৈঠকের তথ্য নেই, যদিও এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে। ভাবা হচ্ছে, নির্বাচিত অংশগ্রহণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না-এমন কড়া অবস্থান জানিয়ে আইসিসি কার্যত বলটি পুরোপুরি পাকিস্তানের কোর্টে ঠেলে দিয়েছে।
আইসিসি বোর্ডে মোট ১৬ জন সদস্য রয়েছেন। ক্রিকবাজের সঙ্গে কথা বলা একাধিক পরিচালকের ভাষ্য অনুযায়ী, বোর্ড সভা হওয়ার কোনো তথ্য তাদের জানা নেই। বরং জানা গেছে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে জানায়নি যে তারা ওই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি খেলবে না। লিখিতভাবে যা আছে, তা কেবল পাকিস্তান সরকারের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্ট। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কোনো পোস্টকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হিসেবে ধরা হয় না।
ধারণা করা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত পিসিবি নির্ধারিত পথেই হাঁটবে। উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপেও পিসিবি সারা দিন টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিলেও নির্ধারিত ম্যাচ শুরুর মাত্র আধা ঘণ্টা আগে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এবার ওই ম্যাচের জন্য হাতে রয়েছে আরও দুই সপ্তাহ সময়।
এদিকে, নির্বাচিত অংশগ্রহণের প্রশ্নে আইসিসি আগেই তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা এ ধরনের ধারণার সঙ্গে কোনোভাবেই সমঝোতা করবে না।
রোববার রাতে আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) থেকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের অপেক্ষায় থাকলেও নির্বাচিত অংশগ্রহণের এই অবস্থান একটি বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরের মৌলিক দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যেখানে সব যোগ্য দল নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সমান শর্তে প্রতিযোগিতা করবে বলে প্রত্যাশা করা হয়। আইসিসি টুর্নামেন্টগুলো গড়ে উঠেছে ক্রীড়াসুলভ সততা, প্রতিযোগিতা, ধারাবাহিকতা ও ন্যায্যতার ওপর। নির্বাচিত অংশগ্রহণ এসব প্রতিযোগিতার চেতনা ও পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ন করে।’







