শুটিং সেটে আগুন লেগে সজলের ভ্ররু পুরে গিয়েছিলো

দেশের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেতা আব্দুন নূর সজল। সম্প্রতি খলনায়ক হিসেবে পর্দায় দেখা মিলেছে সজলের। ৮ এপ্রিল দেশীয় ওটিটি প্লাটফর্ম বিঞ্জে মুক্তি পাওয়া ‘ব্যাচ ২০০৩’ সিনেমায় ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। পার্থ সরকার পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সজলের দুর্দান্ত অভিনয়।

শনিবার রাত ৮টায় ইত্তেফাক অনলাইনের নিয়মিত আয়োজন ‘টুনাইট শো’-এ হাজির হন সজল। ইত্তেফাক অনলাইন ইনচার্জ জনি হকের সঞ্চালনায় নতুন চরিত্রে অভিনয়সহ জীবনের অজানা নানান বিষয় শেয়ার করবেন তিনি।

সজল বলেন, এই মাসে ওটিটি প্লাটফর্ম বিঞ্জেতে এসে আমার ‘ব্যাচ ২০০৩’ ছবি। এই ছবিটির জন্য আমরা ভীষণ কষ্ট করেছি। ৮ এপ্রিল ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর এতো বেশি সারা পেয়েছি যা কখনো চিন্তাই করিনি।’

এই ছবিতে সুমন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সজল। যাকে খানিকটা সাইকো বলা যায়। এই চরিত্রের জন্য প্রস্তুতিটা সহজ ছিলো না। সজলের কথায়, এটা আমার জন্য একেবারেই আলাদা ছিলো। যেখানে আমি এই ভালো.. এই খারাপ। এর আগে নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করেছি কিন্তু খুন করার মতো কোন ঘটনায় অভিনয় করিনি। এই চরিত্রটার মধ্যে শুধু যে ঘৃণাই ছিলো তা না এটার মধ্যে ভালোবাসাও ছিলো।’

সজল বলেন, ‘এই ছবিতে শক্তিশালী একটি সামাজিক বার্তা রয়েছে। চলার পথে আমরা অনেক কিছুই করি। কয়েক মিনিট বা একটি দিনে আনন্দের জন্য আমরা কিছু মানুষের ক্ষতি করি। সেই ভুক্তভোগীর সাথে তার পরিবারসহ আশপাশের মানুষ জারিয়ে আছে। তাদের অবস্থা আমরা কখনোই চিন্তা করি না। সবকিছু মিলিয়ে এখানে র‌্যাগিংয়ের বিষয়ে একটি ভালো বার্তা দেওয়া হয়েছে।’

বড়পর্দায় অভিনয়ের বিষয়ে সজল বলেন, ‘আমি বড় পর্দার জায়গাটাকে ভীষণ ভালোবাসি। সেজন্য যত্নে কাজ করতে চাই। সামনে অন্যরকম কিছু কাজ নিয়ে আমি দর্শকদের সামনে আসবো। অল্প কিছুদিনের মধ্যে কাজ শুরু করবো এবং দর্শকদের সামনে হাজির হবো।’

শো-এর মধ্যে চমক হিসেবে যোগ হন ‘ব্যাচ ২০০৩’ ছবির পরিচালক পার্থ সরকার। তার কথায়, ‘এই ছবিতে অ্যান্টি র‌্যাগিং ও অ্যান্টি বুলিংয়ের বিরুদ্ধে আমরা একটি বার্তা দিয়েছি। আবার এখানে বিনোদনও আছে। এই সব বার্তা এমনভাবে দিতে চেয়েছি যেটি সবার মনে গেঁথে থাকে। আশাকরি দর্শকরা এটা ভালোভাবে গ্রহণ করেছে।’

মাজার বিষয় শেয়ার করে পার্থ বলেন, ‘ব্যাচ ২০০৩’ ছবিতে একটি ক্লাইমেট দৃশ্য ছিলো। সেখানে আগুন-ফায়ার ভোল্ট তৈরি হচ্ছে এমন একটা অবস্থা। সেটি ছিলো বাস্তবে সাইন্স ল্যাবরোটারিতে। সেখানে অনেক ধরণের ক্যামিকেল নষ্ট না করা শর্তে আমারা সেখানে শুটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলাম। সেই দিন সারা রাত শুটিং করা হয়। ভোরে শুটিংরত অবস্থায় নওশাবা একটি ক্যামিকেলের বোতল ছুড়ে মারে। সেই খান থেকে আগুন লেগে সজলের ভ্ররু পুরে যায় এবং নওশাবার চুল পুরে যায়।’

Rupantor Television

A IP Television Channel

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »