অধরাই থাকল ট্রফি

ঘরোয়া ক্রিকেটের ট্রফি অধরাই থেকে গেল মুশফিকুর রহিমের জন্য। আরো একবার শূন্য হাতে ফিরলেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। শিরোপার স্বাদ যেন অলীক বস্তু হয়েই রইল তার জন্য। গত মঙ্গলবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের কাছে ৭ উইকেটে হেরে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ থেকে বাদ পড়েছে মুশফিকের বেক্সিমকো ঢাকা।

বছরের শুরুতে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ফাইনালেও হেরেছিল তার নেতৃত্বাধীন খুলনা টাইগার্স। এবার টুর্নামেন্ট জয়, ট্রফির জন্য মরিয়া ছিলেন ৩৩ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার। মাঠে বেশ উজ্জীবিত, সপ্রতিভ দেখা গেছে তাকে। টুর্নামেন্ট জুড়ে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ব্যাট হাতেও ১০ ম্যাচে ৩৫.৮৭ গড়ে ২৮৭ রান করেছেন। কিন্তু এই টুর্নামেন্টে শুরুর মতোই শেষটা ভালো হলো না মুশফিক ও তার দলের। টানা তিন হারে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ শুরু করেছিল দলটি। পরে টানা চার জয়ে প্লে-অফে উঠে আসে দলটি। এলিমিনেটর ম্যাচে ফরচুন বরিশালকেও হারায় ঢাকা। ঐ ম্যাচেই সতীর্থ নাসুম আহমেদকে দুইবার মারতে উদ্যত হয়ে বাজে নজির স্থাপন করেন অধিনায়ক মুশফিক। পরে ক্ষমা চাইলেও জরিমানা গুনেছেন তিনি।

এই ঘটনার প্রভাবে পুরো দলই যেন প্রাণ হারিয়ে ফেলেছিল। ফাইনালের হাতছানিময় ম্যাচে মঙ্গলবার মাঠে যেন ঢাকার ক্রিকেটারদের শরীরি অস্তিতই শুধু ছিল, ম্যাচের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন সবাই। এবং ম্যাচ হেরে বিদায় নিয়েছে ঢাকা। খোদ মুশফিকই নিজের ভেতর গুটিয়ে গিয়েছিলেন। ম্যাচের আগে ও টসের সময় দুইবার ক্ষমা চাওয়া এই ক্রিকেটার মাঠে আগের মতো সরব ছিলেন না। ব্যাটিংয়েও দলের বিপদে ত্রাতা হতে পারেননি। ৩১ বলে ২৫ রান করে মোসাদ্দেকের শিকার হন।

অনেক চেষ্টা করেও পারেননি, ম্যাচ শেষে মুশফিকের কণ্ঠে যেন অসহায়ত্বই ফুটে উঠেছে। ভগ্ন মনরথে তিনি বলেছেন, ‘আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। টুর্নামেন্টে আমাদের শুরুটা ভালো হয়নি। তবে দারুণভাবে প্রত্যাবর্তন করেছিলাম। আজ (মঙ্গলবার) আমাদের দিন ছিল না। ব্যাটসম্যানরা দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারেনি।’

Rupantor Television

A IP Television Channel

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »