সমাজ বা পরিবারের প্রতিফলনটাই সংগীতে ধরা দেয় : খালিদ

আধুনিক রোমান্টিক গানের অনবদ্য এক শিল্পী হলেন খালিদ। অগণিত জনপ্রিয় গান তো রয়েছে। এর ভেতরে বেশ কিছু গান কালোত্তীর্ণের পথ দেখছে কয়েক প্রজন্মের মধ্য দিয়ে। দীর্ঘদিন পর দেশে আসছেন কণ্ঠশিল্পী খালিদ। গত কয়েকবছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে থিতু হয়েছেন তিনি পরিবার নিয়ে। নিজের গানের কাজ, পরিকল্পনা ও বর্তমান মিউজিক নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন তানভীর তারেক

কেমন আছেন?

এখন সবাই যেভাবে বেঁচে থাকার জন্য বাঁচে। আমিও তেমন। তবে গানটা নিয়েই যেহেতু আছি। মন্দ নেই। সুরের ভেতরে থাকলে খারাপ থাকা যায়না।

ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মে বেশ কিছু অনুষ্ঠানে আপনাকে গাইতে দেখলাম। এখনকার ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলবেন?

না, এই মহামরিতে তো সকলেরই কাজের রুটিন বদলেছে। সেক্ষেত্রে আমারও তাই। তবে এই সময়ে যে কাজটা দারুণ হয়েছে তা হলো, নিজে ঘরে বসে বেশ কিছু সুরের কাজ তৈরি করতে পেরেছি। নিজের নতুন কিছু গানের আইডিয়াও এসেছে।

বর্তমান সময়ে গান নিয়ে এই যে আলোচনার চেয়ে স্যাটায়ার হচ্ছে বেশি, এই অবক্ষয় নিয়ে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করছে। আপনার এ বিষয়ে মূল্যায়ন কী?

দেখুন সময়ই এসবের জবাব দিয়ে দেয়। সবসময়ই ভাল মন্দ ছিল। এখনও তাই। মাধ্যমের ধরণটা বদলেছে। তবে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার এগুলো তো পারিবারিকভাবেই আমাদের চর্চার অভাব ঘটছে। সংগীত তো সমাজের বাইরে না। তাই সমাজ বা পরিবারের প্রতিফলনটাই সঙ্গীতে ধরা দেয়।

দেশে আসার কোনো পরিকল্পনা ?

খুব ইচ্ছে ছিল ডিসেম্বরেই দেশে থাকার। এমনিতেই এই উইন্টারে যুক্তরাষ্ট্রে একেবারেই গৃহবন্দী থাকতে হয়। তাই সেভাবেই প্ল্যান করছি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে করোনা নিয়ে। চারদিকের মোটিভটা তো বুঝতে পারছি না। তবে খুব জলদিই দেশে আসবো। কয়েক মাস থেকে যাবো।

নতুন গানের কথা বলছিলেন। সে ব্যাপারে শুনতে চাই

আমেরিকাতেও বাংলা কমিউনিটিতে বেশ ক’জন সংগীত পরিচালকের সাথে কথা হয়েছে নতুন গানের ব্যাপারে। দেখা যাক। এছাড়া দেশে আসব জেনে পরিচিত ক’জনার সাথে কথা চলছে। এসে কিছু গানের কাজ তো করবোই।

Rupantor Television

A IP Television Channel

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »