সিরিজ জয়ের লড়াই আজ

নেপালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ জিতে যাওয়ায় বাংলাদেশের সামনে আজ সিরিজি জয়ের লড়াই। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচ শুরু হবে। ধরেই নেওয়া যায়, আজও বাংলাদেশ ফুটবল দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে। উত্তাপ ছড়াবে ম্যাচ। টিকিট চাহিদাও এমনটাই বলছে।

গতকাল বাফুফে ভবনের গেটের সামনে কিছু ফুটবলপ্রিয় লোকজন টিকিট চাই, টিকিট চাই—দাবি তুলে বাফুফেকে আওয়াজ দিল। বাফুফে ৮ হাজার টিকিট ছাড়বে, কিন্তু দর্শকের দাবি—আরো বেশি টিকিট ছাড়তে হবে।

ফিফা প্রীতিম্যাচ যখন আয়োজন করার উদ্যোগ নেওয়া হয় তখন কথা ছিল শুধু প্রীতিম্যাচ। কিন্তু এই প্রীতি ম্যাচ যে দেশের ফুটবলে এত বেশি প্রভাব ফেলবে, তা কে জানত। অনেক দিন ফুটবলে নেই। আশঙ্কা ছিল নেপালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই হেরে যেতে পারেন জামাল ভুইয়ারা। কারণ আন্তর্জাতিক ম্যাচের প্রস্তুতি ছিল না। জামাল, তপু, সাদ, সুফিল, জীবনরা এমন এক জয় উপহার দিয়েছেন যা দেখে ফুটবল দর্শকের চাওয়া আরো বেড়ে গিয়েছে।

প্রীতিম্যাচ হলেও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দুই ম্যাচ মুজিববর্ষ সিরিজের নামকরণ করা হয়েছে। মাঠে সোনালি রঙয়ের একটি ট্রফিও রাখা হয়েছে। সিরিজ-জয়ী দল নিয়ে যাবে ট্রফি।

প্রথম ম্যাচের চেয়ে দ্বিতীয় ম্যাচ আরো বেশি কঠিন হবে মনে করছেন বাংলাদেশের কোচ খেলোয়াড়রা। কারণ নেপাল জেনে গেছে বাংলাদেশের শক্তির উৎস এবং কোথায় গিয়ে তারা ফিনিশ করে। প্রতিপক্ষ কোথায় আঘাত করতে পারে তা জেনেই বাংলাদেশ নিজেদের প্রস্তুত করেছে। তাছাড়া নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশে ভুলগুলো কাটিয়ে ওঠারও জন্য কাজ করেছে কোচিং স্টাফ। তারা মনে করছে স্বল্প সময়ের মধ্যে যতটুকু সারিয়ে তোলা যায় তা নিয়েই কাজ করা হয়েছে তিন দিন।

গতকাল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুশীলন শেষে ইংলিশ কোচ স্টুয়ার্টওয়াটকিস বলছিলেন, ‘প্রথম ম্যাচর আমাদের চোখ ছিল খেলোয়াড়দের রিকভারির দিকে। কারণ এটাও মনে রাখতে হবে যে, আমাদের ছেলেরা প্রায় ৯ মাস পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেছিল। তাই আমরা শুক্রবার নেপালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের পর পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা রিকভারির দিকে নজর দিয়েছিলাম। যারা ম্যাচ খেলেছে তাদের জন্য আলাদা সেশন। আর যারা ম্যাচ খেলেনি তাদের জন্য আলাদা সেশন ছিল। সত্যি কথা বলতে কি, প্রস্তুতিতে তেমন কোনো ভিন্নতা নেই। আমরা প্রতি ম্যাচে যেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি এবারও সেটিই করছি।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে স্টুয়ার্টওয়াটকিস বললেন, ‘হ্যাঁ আপনারা বলতে পারেন নেপালের বিপক্ষে প্রথমার্ধে আমরা তিন-চার গোলে এগিয়ে যেতে পারতাম। সেটি হলে দ্বিতীয়ার্ধের খেলাটা আরো সহজ হয়ে যেত। তবে এটাও ঠিক যে, আগের ম্যাচে মন্দের চেয়ে ভালো দিকগুলোই বেশি ছিল। আমরা সেগুলো বেছে নিতে পারি।’

সতর্ক অবস্থানে স্টুয়ার্ট। তার জামাল, রহমত মিয়া, রিয়াদুল, মানিকদের সাবধান করে দিয়েছেন। নেপাল আরো শক্তিশালী হয়ে মাঠে নামবে আজ। কোনো ছাড় দেওয়া ঠিক হবে না।

বাংলাদেশ-নেপাল দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচ বিকাল ৫টা, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম

Rupantor Television

A IP Television Channel

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »