প্রেসিডেন্ট হলে ইরানের পরমাণু সমঝোতায় ফিরতে পারেন বাইডেন!

সাধারণত ব্যথা, জ্বর ও প্রদাহে ব্যবহৃত হয় অ্যাসপিরিন। অ্যাসিটাইল-স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ভিত্তিক এই ওষুধই করেনা চিকিৎসার সম্ভাব্য ওষুধ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে ব্রিটেনের একটি গবেষণাগারে।

রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, আজ থেকে অ্যাসপিরিনের প্রয়োগের জন্য ব্রিটেনের ১৭৬টি হাসপাতালের ১৬ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত রোগীকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা রোগীদের সাধারণত রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বেশি থাকে। রক্তের অণুচক্রিকা রক্তকে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। যেহেতু অ্যাসপিরিন একটি অ্যান্টিপ্লেলেটলেট এজেন্ট, তাই এটি করোনা রোগীদের রক্ত ​​জমাট বাঁধার ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে আনতে পারে।

শুক্রবার রিকভারি ট্রায়াল ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সাধারণ অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি মেডিসিন অ্যাসপিরিন করোনা চিকিৎসায় কতটা কার্যকরী তা নিয়ে যাবতীয় পরীক্ষা শুরু করেছেন তারা। অ্যাসপিরিন আসলে করোনা রোগীদের উপর কতটুকু প্রভাব ফেলে এবং এর কার্যকারিতা কতটুকু তারই যথোপযুক্ত অনুসন্ধান করবেন বিশেষজ্ঞরা।

অ্যানাস্থেসিয়া এবং অ্যানালজেসিয়া জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়, অ্যাসপিরিন করোনার জটিলতা প্রতিরোধ করতে সহায়তা করতে পারে। ভবিষ্যতে করোনায় মৃত্যুহার কমাতে অ্যাসপিরিনই বিশ্বের প্রথম সহজলভ্য ওষুধ হতে চলেছে বলে দাবি করেন তারা।

রিকভারি ট্রায়ালের সহকারী প্রধান গবেষক ও নুফিল্ড মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক পিটার হরবি বলেন,“আমরা মনে করি, করোনা চিকিৎসায় অ্যাসপিরিনের রয়েছে বিশেষ ভূমিকা । এর পিছনে যথেষ্ট যুক্তিও রয়েছে। আমরা এখন করোনার কার্যকরী ওষুধের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছি। এটা নিরাপদ, সস্তা এবং সহজলভ্য। অ্যাসপিরিন যদি পরীক্ষাগারে করোনার প্রতিষেধক হিসেবে প্রমাণ হয় তা হলে এটা সর্বত্রই তাৎক্ষণিক ভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অফ ম্যারিল্যান্ড স্কুল অফ মেডিসিনের বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, করোনা আক্রান্ত এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর ক্ষেত্রে মৃত্যুর আশঙ্কা কমিয়ে অনেকটা কার্যকর অ্যাসপিরিন।

Rupantor Television

A IP Television Channel

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »