তবুও কমছে না পিঁয়াজের দাম

কয়েকটি শিল্প গ্রুপ মিয়ানমার, পাকিস্তান, চীন, মিসর, তুরস্ক ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পিঁয়াজ আমদানি শুরু করেছে। তবে চট্টগ্রামের বাজারে পিঁয়াজের দাম এখনো কমছে না। পাইকারি ও খুচরা উভয় বাজারেই পিঁয়াজের দাম এখনো ঊর্ধ্বমুখী। তবে ভারত রপ্তানি বন্ধের পর মিয়ানমার থেকেই সমুদ্রপথে বেশি পিঁয়াজ আসছে। তারপরও দাম কমছে না। তার কারণ হিসেবে দেশের অন্যতম প্রধান পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের আড়তদাররা বলছেন, মিয়ানমারেই এখন পিঁয়াজের দাম চড়া। মিয়ানমার রপ্তানি শুরু করায় দাম আরও বেড়ে যাচ্ছে। ফলে বিক্রেতা বা আমদানিকারকদের দাম কমানোর তেমন সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। এখন বন্দর থেকে প্রায় প্রতিদিনই খালাস হচ্ছে পিঁয়াজ। পিঁয়াজের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। গতকাল খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে মিয়ানমারের পিঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫৮ টাকা কেজি। আর পাকিস্তানি, চিনা ও মিসরি পিঁয়াজ বিক্রি হয় ৪৫-৫০ টাকা কেজিতে। এই পিঁয়াজই খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ড. আসাদুজ্জামান বুলবুল জানান, মঙ্গলবার পর্যন্ত সমুদ্রপথে ৩৩০টি আমদানি অনুমতিপত্রের বিপরীতে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ২১ হাজার ৩২১ টন পিঁয়াজের ছাড়পত্র ইস্যু করা হয়েছে। মোট ৫৬৭টি আইপির বিপরীতে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫৪ টন পিঁয়াজের আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে। এর বাইরে ঢাকা থেকেও আইপি নিয়েছেন অনেক আমদানিকারক। খাতুনগঞ্জে আড়তদার রিতাপ উদ্দিন বাবু বলেন, পিঁয়াজের আমদানি বাড়ায় সরবরাহও বাড়ছে। তাই পিঁয়াজের দাম আগের চেয়ে কমেছে। তবে যে হারে আমদানি হচ্ছে সে হারে দাম কমছে না। তার কারণ হচ্ছে- এখন মিয়ানমারসহ পিঁয়াজ রপ্তানিকারক দেশগুলোতেও দাম একটু বেশি। এ জন্য দাম কমছে না। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) আঞ্চলিক প্রধান জামালউদ্দিন আহমেদ জানান, নগরীর বিভিন্ন স্পটে ১২টি ট্রাকে ৩০ টাকা কেজি পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ট্রাকে ১ টন করে পিঁয়াজ দেওয়া হয়।

Rupantor Television

A IP Television Channel

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »